মানিক সরকারের ওপর হামলা, অভিযোগের তীর বিজেপির দিকে।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ  ত্রিপুরায় ক্ষমতায় পালাবদলের পর বিরোধী দলের নেতাদের আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে । এমনকি বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে সিপিএমের প্রায় অনেক পার্টি অফিস ভেঙ্গে পুড়িয়ে দেয়ার । এবার অভিযোগ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় এ হামলার। রেহাই পেলেন না অন্য দলের এক নেতাও।

ত্রিপুরায় শুক্রবার সন্ধেয় ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের কনভয়ে হামলা চালায় বিজেপি এমনি অভিযোগ সিপিআইএমের। মানিক সরকার দলের এক বৈঠকে যোগ দিয়ে ফিরছিলেন। আগরতলা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে তাঁর কনভয় পৌঁছলে তাতে হামলা চালানো হয়। ভেঙে দেওয়া হয় তাঁর গাড়ি কাচ। ভাঙা হয় দলের নেতা নারায়ণ চৌধুরীর গাড়িও হামলার পেছনে বিজেপির রয়েছে বলে দাবি করেছে ত্রিপুরা সিপিএম। দলের পক্ষ থেকে এই হামলাকে ফ্যাসিস্ট সুলভ বলে বর্ণনা করেছে। হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিস। সেখান থেকে মানিক সরকার, নারায়ণ চৌধুরী, প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী ভানুলাল সাহা, বিধায়ক শ্যামল চক্রবর্তী, প্রাক্তন মন্ত্রী শাহিদ চৌধুরীকে ঘটনাস্থল থেকে নিয়ে য়ায় পুলিস।





বিশালগড় পার্টি অফিসে এদিন দুপুরে একটি মিটিং ছিল। ওই মিটিং শেষ হওয়ার পর মানিক সরকার সহ অন্যান্য নেতারা আগরতলা ফিরছিলেন। পথে তাদের ওপরে হামলা করা হয়। হামলায় নারায়ণ চৌধুরীর দুই সঙ্গী আহত হয়েছেন। মানিক সরকার করভয়ের কিছু গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। তবে সিপিএমের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে হামলার পেছনে রয়েছে বিজেপির মদত-পুষ্ট গুণ্ডারা।




সিপিএমের এক নেতা বলেছেন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মানিক সরকার নভেম্বর বিপ্লবের অনুষ্ঠান নিয়ে এক বৈঠক শেষ করে ফিরছিলেন। ওই বৈঠকে প্রধান বক্তা ছিলেন মানিক। অনুষ্ঠান শুরুর আগে হলের সামনে জড়ো হন বেশকিছু বিজেপি সমর্থক। বৈঠকে যোগদানকারীদের অনুষ্ঠানে আসতে বাধা দেওয়া হয়। এরপর বৈঠক শেষ হলে দলের নেতাদের ওপরে হামলা করা হয়।  এই হামলা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ বিজেপি। এটা স্পষ্ট এই হামলায় কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে বিজেপি ।