কানহাইয়া কুমারকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য প্রকাশিত হল শিবসেনার মুখপত্র ‘সামানা’ররবিবারের সংখ্যায়।

১০দিক২৪ব্যুরোঃ "কানহাইয়া কুমার" সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে অত্যন্ত চেনা নাম।এবার কানহাইয়া কুমারকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য প্রকাশিত হয় শিবসেনার মুখপত্র ‘সামানা’র রবিবারের সংখ্যায়।আসুন জেনে নিই কি প্রকাশিত হয়েছে।"কানহাইয়া কুমার বিষের সিসি। কানহাইয়া কুমারকে কোনো ভাবেই সংসদে যেতে দেওয়া যাবে না।প্রয়োজন হলে ভোটে কারচুপি করতে হবে।এই কথাগুলিই লেখা হয়, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের প্রাক্তন সভাপতি তথা এ বারের লোকসভায় বিহারের বেগুসরাই থেকে সিপিআই প্রার্থী কানহাইয়া কুমার সম্পর্কে। এই খবর জানা জানি হতেই শুরু হয় বিতর্ক। সূত্রের খবর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পত্রিকার সম্পাদক তথা শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউতকে নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন।

মুম্বইয়ের রিটার্নিং অফিসার নোটিস দিয়ে তাঁকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই কথা লেখার পরই সিপিআই অভিযোগ জানিয়েছিল কমিশনে। তারপরই পদক্ষেপ নিল কমিশন।কয়েক বছর ধরেই কানহাইয়া সাংবাদ শিরোনামে। এর আগে কানহাইয়া কুমার সহ তাঁর একাধিক সহকর্মীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভারত-বিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিল গেরুয়া শিবির। যদিও ওই স্লোগানের ক্লিপিং ফেক না আসল, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তর্ক রয়েছে।

এ ছাড়াও তাঁর আজাদি স্লোগান নিয়েও তৈরি হয়েছিল বিতর্ক।সুবক্তা ও সংগঠক কানহাইয়াকে এ বার তাঁর নিজের জায়গা থেকে প্রার্থী করেছে দল। সাবেক কমিউনিস্ট পার্টির জাতীয় পরিষদের সদস্য হয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করেছেন ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে আসা তরুণ এই বাম নেতা। প্রসঙ্গত, এ বারের ভোটেও দেশের বাম নেতৃত্ব যে স্টার বক্তাদের তালিকা করেছে, তাতেও প্রথম দিকে নাম আছে কানহাইয়ার । বাম নেতাদের অভিযোগ, সংসদীয় গণতন্ত্রে অংশগ্রণ করা কোনও দলের নেতা যদি ইভিএম কারচুপির কথা বলেন, তা তো মারাত্মক। তাই দেরি না করে কমিশনও যে তৎপর তা স্পষ্ট করে দেওয়া হল বলেই মনে করছেন ।এখন এটাই দেখার অভিযোগ পাওয়ার পর কি ব্যাবস্থা নেয় নির্বাচন কমিশন।