৩৫ এ ৩৮ পেয়ে রেকর্ড। আজগুবি নয়, একদম সত্যি ঘটনা।

আবার পরীক্ষার ফলাফলে গড়মিলের অভিযোগ উঠলো বিহার বোর্ডের বিরুদ্ধে। গত ৬ই জুন বিহার বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। আর তাতেই চোখ কপালে উঠেছে সবার।

দেখা যায় পূর্ণমান ৩৫ হলেও অনেকেই পূর্ণমানের চেয়ে বেশী নম্বর পেয়েছেন। জীববিদ্যার পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলেও এক ছাত্রী ৩৫ এ পেয়ে গেছেন ১৮। আবার কোনো বিষয় ভালো পরীক্ষা দিয়েও জুটেছে বিলকুল শূন্য।

অবশ্য বিহার বোর্ডের এ কেলেঙ্কারী নতুন কিছু নয়। বছর দুয়েক আগে বিহারের দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষারই কৃতি বৈশালী জেলার বিষুন রায় কলেজের ছাত্রী রুবি, সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানান তিনি 'প্রডিকাল সায়েন্স' নিয়ে পড়েছেন। সেটি কোন বিষয় জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন তাতে রান্নাবান্না সংক্রান্ত কিছু শেখানো হয়। এরপরই তদন্তে উঠে আসে বিহার বোর্ডের অর্থের বিনিময়ে ব্যাপক দুর্নীতির কথা।

এবারের ঘটনা আবার মুখ পোড়ালো বিহার বোর্ডের। টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে আরওয়াল জেলার ভীম কুমার নামক এক পড়ুয়া অঙ্কে ৩৫ এ পেয়েছেন ৩৮। জান্হবী সিংহ ও রামকৃষ্ণ দ্বারিকা পরীক্ষায় না বসতে পারলেও নম্বর পেয়েছেন। আবার ইংরাজী ও হিন্দির অবজেক্টিভে ভালো পরীক্ষা দিয়েও শূন্য জুটেছে পূর্ব চম্পারণ জেলার সন্দীপ রাজের কপালে।

যদিও এ ফলাফলে বিন্দুমাত্রও অবাক হননি কোনো পড়ুয়াই। এরকম আজগুবি ফলাফলই যেন নিয়ম হয়ে গেছে বিহারের। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেই ফেলেছেন ভীম কুমার "অ্যায়সা হি হোতা হ্যা বিহার বোর্ড মে"