ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে কথা বললেই কি করা হবে খুন? আসুন জেনে নেওয়া যাক - কি বললেনখুনে অভিযুক্ত এক উগ্র হিন্দুত্ববাদী

কর্ণাটক পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল জানাচ্ছেন - সনাতন সংস্থার অন্তর্ভুক্ত সংগঠন হিন্দু জনজাগৃতি সমিতির "উগ্রপন্হী শাখা" আছে। এবং এরা সন্ত্রাসবাদী কাজের সাথেও যুক্ত। এর আগেও একাধিকবার এই সংগঠনের নামে মুক্তমনাদের হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বিশিষ্ট ডাক্তার নরেন্দ্র দাভোলকার, অধ্যাপক এম.এম কার্লবুর্গী এবং বামপন্থী নেতা গোবিন্দ পানসারেকে হত্যার অভিযোগ এই সংস্থার বিরুদ্ধেই উঠেছিলো। গৌরী লঙ্কেশ খুনের অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এমনটাই জানতে পেরেছে কর্ণাটক পুলিশ ।

 


ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পেরেছে গৌরী লঙ্কেশ খুনের মূল অভিযুক্ত নবীনকুমার কে নিযুক্ত করেছে হিন্দু জন-জাগৃতি সমিতির বেঙ্গালুরুর কো-অর্ডিনেটর মোহন গৌরা। যে শাখার সাথে নবীনকুমার কে যুক্ত করা হয়েছিল সেই শাখাই গৌরী লঙ্কেশকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল। নবীনকুমার এরকমও জবানবন্দি পুলিশের কাছে দিয়েছে যে 2017 সালে গোয়ায় সে সনাতন সংস্থার একটি বার্ষিক কনভেনশনে গিয়েছিলেন এবং সেখানে হিন্দু ধর্মকে রক্ষা করার জন্য আলোচনা হয়েছিল । দ্বিতীয় দিনে আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম এবং আমার মতামত হিসেবে জানিয়েছিলাম যে "হিন্দু ধর্মকে রক্ষা করার জন্য অস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা জরুরী" ।

 

পড়ুনঃ যোগী কে ‘ভোগী’ বলে উত্তরপ্রদেশ ছাড়ল পতঞ্জলী

 

 

 


এই বক্তব্য শুনে সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর মোহন গৌড়া আমার খুবই প্রশংসা করেন । আমি তাকে বলি বন্দুক এবং বুলেট আমি দিতে পারবো না, তখন তিনি আমাকে জানান আমার মত আরও অনেকে আছেন তারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে নেবে ।তিনি আমার সঙ্গে তাদের যোগাযোগ করিয়ে দেবেন। এরপর থেকেই শুরু হয় গৌরী লঙ্কেশকে হত্যার ষড়যন্ত্র । ঘটনায় অভিযুক্ত অন্যান্যদের সাথে মোহন গৌরাই আমার পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর 2017 সালের 19 এবং 20 শে আগস্ট হিন্দু জন-জাগৃতি সমিতি ব্যাঙ্গালুরুতে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেখানে অন্যতম অভিযুক্ত প্রবীণ অংশ নিয়েছিল অনুষ্ঠানের শেষে প্রবীণ পাশের একটি পার্কে নিয়ে যায় তাকে এবং প্রবীণ সেখানে নবীন কে বলে গৌরী লঙ্কেশকে হত্যা করার জন্য তাঁর সাহায্য প্রয়োজন। হিন্দু এবং হিন্দু দেবতাদের সম্পর্কে গৌরী লঙ্কেশ অপমানজনক কথা বলছেন তাই তারা গৌরী লঙ্কেশকে হত্যা করবে। এরপরই ষড়যন্ত্র করে বিশিষ্ট মুক্তমনা সাংবাদিক এবং সমাজকর্মী গৌরী লঙ্কেশকে তাঁর বাড়ির সামনে গুলি করে খুন করা হয় । এই ঘটনার পরে পুনের পুলিশ নবীনকুমার, সুজিত কুমার, অমর কালে, মনোহর ইভাদে, অমিত দেগউকার কে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত নবীনকুমারের বক্তব্য থেকে পরিষ্কার যে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি একাধিক নাশকতামূলক এবং সন্ত্রাসবাদের সাথে যুক্ত এবং যে ঘটনা তারা অতীতে ঘটিয়েছে ভবিষ্যতেও একাধিকবার সেই ঘটনা ঘটতে পারে। যারা উগ্র হিন্দুত্ববাদী আদর্শের বাইরে গিয়ে কথা বলবে তাদেরই হত্যা করা হতে পারেউগ্র হিন্দুত্ববাদীরা কিভাবে খুন করেছিলো সাংবাদিক গোরী লঙ্কেশকে, তা ফাঁস করলেন এক অভিযুক্ত।

 

 

 


কর্ণাটক পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল জানাচ্ছেন - সনাতন সংস্থার অন্তর্ভুক্ত সংগঠন হিন্দু জনজাগৃতি সমিতির "উগ্রপন্হী শাখা" আছে। এবং এরা সন্ত্রাসবাদী কাজের সাথেও যুক্ত। এর আগেও একাধিকবার এই সংগঠনের নামে মুক্তমনাদের হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বিশিষ্ট ডাক্তার নরেন্দ্র দাভোলকার, অধ্যাপক এম.এম কার্লবুর্গী এবং বামপন্থী নেতা গোবিন্দ পানসারেকে হত্যার অভিযোগ এই সংস্থার বিরুদ্ধেই উঠেছিলো। গৌরী লঙ্কেশ খুনের অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এমনটাই জানতে পেরেছে কর্ণাটক পুলিশ ।

ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পেরেছে গৌরী লঙ্কেশ খুনের মূল অভিযুক্ত নবীনকুমার কে নিযুক্ত করেছে হিন্দু জন-জাগৃতি সমিতির বেঙ্গালুরুর কো-অর্ডিনেটর মোহন গৌরা। যে শাখার সাথে নবীনকুমার কে যুক্ত করা হয়েছিল সেই শাখাই গৌরী লঙ্কেশকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল। নবীনকুমার এরকমও জবানবন্দি পুলিশের কাছে দিয়েছে যে 2017 সালে গোয়ায় সে সনাতন সংস্থার একটি বার্ষিক কনভেনশনে গিয়েছিলেন এবং সেখানে হিন্দু ধর্মকে রক্ষা করার জন্য আলোচনা হয়েছিল । দ্বিতীয় দিনে আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম এবং আমার মতামত হিসেবে জানিয়েছিলাম যে "হিন্দু ধর্মকে রক্ষা করার জন্য অস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা জরুরী" ।

 

 

পড়ুনঃ মানিক সরকারের গাড়ি আটকে বিজেপির বিক্ষোভ।


এই বক্তব্য শুনে সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর মোহন গৌড়া আমার খুবই প্রশংসা করেন । আমি তাকে বলি বন্দুক এবং বুলেট আমি দিতে পারবো না, তখন তিনি আমাকে জানান আমার মত আরও অনেকে আছেন তারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে নেবে ।তিনি আমার সঙ্গে তাদের যোগাযোগ করিয়ে দেবেন। এরপর থেকেই শুরু হয় গৌরী লঙ্কেশকে হত্যার ষড়যন্ত্র । ঘটনায় অভিযুক্ত অন্যান্যদের সাথে মোহন গৌরাই আমার পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর 2017 সালের 19 এবং 20 শে আগস্ট হিন্দু জন-জাগৃতি সমিতি ব্যাঙ্গালুরুতে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেখানে অন্যতম অভিযুক্ত প্রবীণ অংশ নিয়েছিল অনুষ্ঠানের শেষে প্রবীণ পাশের একটি পার্কে নিয়ে যায় তাকে এবং প্রবীণ সেখানে নবীন কে বলে গৌরী লঙ্কেশকে হত্যা করার জন্য তাঁর সাহায্য প্রয়োজন। হিন্দু এবং হিন্দু দেবতাদের সম্পর্কে গৌরী লঙ্কেশ অপমানজনক কথা বলছেন তাই তারা গৌরী লঙ্কেশকে হত্যা করবে। এরপরই ষড়যন্ত্র করে বিশিষ্ট মুক্তমনা সাংবাদিক এবং সমাজকর্মী গৌরী লঙ্কেশকে তাঁর বাড়ির সামনে গুলি করে খুন করা হয় । এই ঘটনার পরে পুনের পুলিশ নবীনকুমার, সুজিত কুমার, অমর কালে, মনোহর ইভাদে, অমিত দেগউকার কে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত নবীনকুমারের বক্তব্য থেকে পরিষ্কার যে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি একাধিক নাশকতামূলক এবং সন্ত্রাসবাদের সাথে যুক্ত এবং যে ঘটনা তারা অতীতে ঘটিয়েছে ভবিষ্যতেও একাধিকবার ঘটবেউগ্র হিন্দুত্ববাদীরা কিভাবে খুন করেছিলো সাংবাদিক গোরী লঙ্কেশকে, তা ফাঁস করলেন এক অভিযুক্ত।

 

 

 


কর্ণাটক পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল জানাচ্ছেন - সনাতন সংস্থার অন্তর্ভুক্ত সংগঠন হিন্দু জনজাগৃতি সমিতির "উগ্রপন্হী শাখা" আছে। এবং এরা সন্ত্রাসবাদী কাজের সাথেও যুক্ত। এর আগেও একাধিকবার এই সংগঠনের নামে মুক্তমনাদের হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বিশিষ্ট ডাক্তার নরেন্দ্র দাভোলকার, অধ্যাপক এম.এম কার্লবুর্গী এবং বামপন্থী নেতা গোবিন্দ পানসারেকে হত্যার অভিযোগ এই সংস্থার বিরুদ্ধেই উঠেছিলো। গৌরী লঙ্কেশ খুনের অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এমনটাই জানতে পেরেছে কর্ণাটক পুলিশ ।

ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পেরেছে গৌরী লঙ্কেশ খুনের মূল অভিযুক্ত নবীনকুমার কে নিযুক্ত করেছে হিন্দু জন-জাগৃতি সমিতির বেঙ্গালুরুর কো-অর্ডিনেটর মোহন গৌরা। যে শাখার সাথে নবীনকুমার কে যুক্ত করা হয়েছিল সেই শাখাই গৌরী লঙ্কেশকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল। নবীনকুমার এরকমও জবানবন্দি পুলিশের কাছে দিয়েছে যে 2017 সালে গোয়ায় সে সনাতন সংস্থার একটি বার্ষিক কনভেনশনে গিয়েছিলেন এবং সেখানে হিন্দু ধর্মকে রক্ষা করার জন্য আলোচনা হয়েছিল । দ্বিতীয় দিনে আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম এবং আমার মতামত হিসেবে জানিয়েছিলাম যে "হিন্দু ধর্মকে রক্ষা করার জন্য অস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা জরুরী" ।

 

 

 


এই বক্তব্য শুনে সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর মোহন গৌড়া আমার খুবই প্রশংসা করেন । আমি তাকে বলি বন্দুক এবং বুলেট আমি দিতে পারবো না, তখন তিনি আমাকে জানান আমার মত আরও অনেকে আছেন তারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে নেবে ।তিনি আমার সঙ্গে তাদের যোগাযোগ করিয়ে দেবেন। এরপর থেকেই শুরু হয় গৌরী লঙ্কেশকে হত্যার ষড়যন্ত্র । ঘটনায় অভিযুক্ত অন্যান্যদের সাথে মোহন গৌরাই আমার পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর 2017 সালের 19 এবং 20 শে আগস্ট হিন্দু জন-জাগৃতি সমিতি ব্যাঙ্গালুরুতে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেখানে অন্যতম অভিযুক্ত প্রবীণ অংশ নিয়েছিল অনুষ্ঠানের শেষে প্রবীণ পাশের একটি পার্কে নিয়ে যায় তাকে এবং প্রবীণ সেখানে নবীন কে বলে গৌরী লঙ্কেশকে হত্যা করার জন্য তাঁর সাহায্য প্রয়োজন। হিন্দু এবং হিন্দু দেবতাদের সম্পর্কে গৌরী লঙ্কেশ অপমানজনক কথা বলছেন তাই তারা গৌরী লঙ্কেশকে হত্যা করবে। এরপরই ষড়যন্ত্র করে বিশিষ্ট মুক্তমনা সাংবাদিক এবং সমাজকর্মী গৌরী লঙ্কেশকে তাঁর বাড়ির সামনে গুলি করে খুন করা হয় । এই ঘটনার পরে পুনের পুলিশ নবীনকুমার, সুজিত কুমার, অমর কালে, মনোহর ইভাদে, অমিত দেগউকার কে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত নবীনকুমারের বক্তব্য থেকে পরিষ্কার যে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি একাধিক নাশকতামূলক এবং সন্ত্রাসবাদের সাথে যুক্ত এবং যে ঘটনা তারা অতীতে ঘটিয়েছে ভবিষ্যতেও একাধিকবার সেই ঘটনা ঘটতে পারে। প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে - তাহলে কি উগ্র হিন্দুত্ববাদী আদর্শের বিরুদ্ধে কথা বললেই হত্যার ঘটনা আবার ঘটতে পারে ?

 

 

পড়ুনঃ মৌলবাদীর হাতে প্রকাশ্যে খুন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক।