চন্দননগর মহিলা কলেজের একই বিভাগের ৬৩ জন ছাত্রীর সঙ্গে প্রেম করে ধরা পরলেনএক যুবক।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ আজকের দিনে ফেসবুক রোজকার জীবনের এক চাহিদাতে পরিণত হয়েছে। নতুন বন্ধু খুঁজে নিতে ফেসবুকের জুড়ি মেলা ভার। আর কের দিকে অনেকেই নিজের জীবন সঙ্গিনী প্রেমিক কেও খুঁজে নেন এই ফেসবুকের মাধ্যমে। তবে এই ফেসবুকে প্রেম করে এবার নজীর গড়লেন এক যুবক।

জানা যাচ্ছে একই বিভাগের ৬৩ জন যুবতীর সাথে একই সাথে প্রেম করে নজির গড়লো পুরশুরার এক যুবক। এই যুবকের নাম সৈকত মাঝি। তাঁর বাড়ি পুরশুরার জঙ্গলপাড়া অঞ্চলে। ফেসবুকে একাধিক অ্যাকাউন্ট খুলে ওমেন্স কলেজের এক ছাত্রীর সাথে চ্যাট করতেন তিনি। নানা নামে মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন তিনি। এক জন নয় দুজন নয় এই কলি যুগের কৃষ্ণের প্রেমে পাগল হয়েছিল ৬৩ জন চন্দননগর মহিলা কলজের ছাত্রী। অনেকের সঙ্গে দেখা ও করে এই যুবক।

তবে কিছু দিন পর থেকেই পাল্টাতে থাকে চাহিদা। ছাত্রী দের মধ্যে কয়েক জন সন্দেহ করলে নিজেদের মধ্যে ঘটনা বলাতে জানাজানি হয়ে যায় ঐ ব্যক্তির আসল পরিচয়। নিজের পরিচয় গোপন করে ভালো জায়গায় চাকরি করে বলেই মেয়েদের ফাঁসাত ঐ যুবক। মঙ্গলবার পরিকল্পনা করে ঐ যুবক কে চন্দননগরে ডাকে এক জন ছাত্রী। তার পর তাকে চন্দননগরে ডেকে সব ছাত্রীরা এক সঙ্গে চন্দননগর থানাতে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আপাতত প্রেমিকের স্থান হয়েছে শ্রীঘরে।