কৃতীর কৃতিত্ব, লেখক শিলাদিত্য গুহ রায়।

কৃতীর কৃতিত্ব নামক লেখাটির লেখক  শিলাদিত্য গুহ রায় ।  সদ্য মাধ্যমিকের ফল বেড়িয়েছে একটি বিখ্যাত টিভি চ্যানেলে প্রথম, দ্বিতীয়, আর তৃতীয় স্থানাধিকারীর ইন্টারভিউ চলছে।লাইভ অনুষ্ঠান। আর তাই নিয়েই লেখক শিলাদিত্য, তার ফেসবুক পেজে অসাধারন একটি লেখা লিখেছেন। একটু অন্যরকম লেখা। তাই ফেসবুক থেকেই তার লেখা আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। 

 

 


"সন্ঞ্চালক - রাহুল রায়, মাধ্যমিক পরীক্ষায় তুমি প্রথম হয়েছো।নিশ্চয়ই তুমি ভীষণ উচ্ছ্বসিত। কেমন লাগছে?

প্রথম - I am not soo excited, কারন আমি জানতাম হয়ত আমিই প্রথম হব। আমি খুশি। Its good news for me..

সন্ঞ্চালক - রিমি বোস, দ্বিতীয় হয়ে তোমার কেমন লাগছে...বলো!

দ্বিতীয় - ভেবেছিলাম rank হবে, but 2nd position was not in my thinking...আসলে স্কুলে আমি কোন দিন 2nd হইনি।বরাবর প্রথম হই। Its first time for me....

সন্ঞ্চালক - এবারের তৃতীয়, স্বপ্নিল রায়...তোমার কেমন লাগছে বলো ?

তৃতীয় - ভালো লাগছে। মা খুব খুশি। মাস্টার মশাইদের পরিশ্রম আর আশীর্বাদ সার্থক। এই যা..

সন্ঞ্চালক - আচ্ছা, প্রথম ... রাহুল কে জিজ্ঞাসা করি...তুমি কেমন ভাবে এই পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলে...যদি একটু আমাদের দর্শকদের বলো...

প্রথম - Actually , it was very tougher way that I had to cross it to get my success. দিনে অনেক কোচিং ক্লাস, রেমেডি ক্লাস করতে হতো...তাই রাত জেগে পড়াশোনা করতে হতো। সতেরো ঘন্টা পড়তে হতো প্রায়। খাওয়ার সময় পেতাম না, তাই পাপা fruit juice এনে রাখতো। সেটাই sip করতাম।


সন্ঞ্চালক - সত্যিই ভীষণ পরিশ্রম করতে হয়েছে। গল্পের বই পড়া, গান শোনা , খেলাধূলা করার সময় পেতে?

প্রথম - না না! ওসবের সময় কোথায়? ঐ গল্পের বই টই পড়ে কি হবে? আজগুবি সময় নষ্ট শুধু। আর গান...মাঝে মাঝে...ইংলিশ গান কিছু শুনি বটে...একটু নিউরোফ্রেশ করার জন্য। আর মাঠে গিয়ে খেলাধুলা করার তো কোন প্রশ্নই নেই। বাড়িতে ভিডিও গেমই যথেষ্ট। মাঠে গরু ছাগল রা চড়ে। ওসব আমার ভালো লাগে না...

সন্ঞ্চালক - ( ইতস্ততঃ) আচ্ছা দ্বিতীয় ... রিমি বোস...তুমি কিভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিলে ...আর তোমার কি কি করতে ভালো লাগে...যদি বলো...

দ্বিতীয় - আমি আসলে পড়া সেরে তেমন সময় পেতাম না...দশটা প্রাইভেট কোচিং।অঙ্ক আর ইংরেজি তে দুটো করে টিউশন নিতাম। স্কুল অফ করতে হত। তারপর টপ করার খিদে। আমি দিনে ষোল ঘন্টাই বই নিয়েই থাকতাম। আর হবি টবি তেমন কিছু নেই। মাম্মার সাথে মাসে এক দুবার পার্লারে যাই...স্পা..মাসাজ নিয়ে ফ্রেশ হয়ে যাই।just it...

সন্ঞ্চালক - (স্মিত হেসে)... এবার তৃতীয় স্বপ্নিল রায়...তোমার পড়াশোনা কেমন ভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছো...সেটা যদি একটু বলো...তোমার ভালো লাগাগুলি কেমন...?

তৃতীয় - আসলে আমার কোন প্রাইভেট কোচিংই ছিল না.....আমার মা ভীষণ কষ্ট করে পড়াশোনা করায়। তাই আমার পড়ার অগাধ সময়। নিজের মনের মতো রুটিন তৈরি করে পড়তাম। যখন যেমন ইচ্ছে হতো। বেশী পড়তে ভালো লাগত না। খুব বেশি হলে ছয় ঘন্টা পড়তাম। আমার দাদু বলে, পড়াশোনা কে আনন্দ করে enjoy করবে। তাই করতাম। রবি ঠাকুরের গান শুনলেই মন ভালো হয়ে যেত।সময় পেলে উত্তম কুমারের ছবিও দেখতাম, যদি পাশের বাড়িতে চলতো তবেই। বিকেল হলেই মাঠে গিয়ে মন খুলে খেলতাম। সন্ধ্যা বেলা মা ফিরে আসলে খেয়ে পড়তে বসতাম। দাদু সামনে বসে থাকতো। কি যে ভালো লাগত পড়তে...বইয়ের প্রতিটা পাতা উল্টাতাম আর ভাবতাম এই আমার শ্রেষ্ঠ বন্ধু ... আমার ভবিষ্যতের পথ...কবে যে বড় হয়ে মা কে ভালো রাখবো...। জানেন! মা বাইরে বাইরে মুড়ি বিক্রি করেন...রাতে যখন শুতাম..ভীষণ গরম। মা সারাদিন খেটে এসেও আমার পিঠে হাত বুলিয়ে দিতো। আমি পাশ ফিরে নিঃশব্দে কেঁদে ফেলতাম,কারন মুড়ির বস্তা টেনে টেনে মায়ের সারা হাতে যে কড়া পড়ে গিয়েছিল তা টের পেতাম।...বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ভীষণ ভালোবাসেন। বিনে পয়সায় আলাদা করে মাঝে মাঝে বাড়িতে ডেকে পড়াতেন। তাদের আশীর্বাদই আমার শক্তি।

 

 

 


সন্ঞ্চালক - (বিস্মিত)... তোমার রুটিন তৈরীর পদ্ধতি টি যদি একটু বলো... আমাদের অবাক লাগছে...কোন প্রাইভেট কোচিং না নিয়ে তুমি কি করে...এত ভালো ফল করলে...?

তৃতীয় - আমার দাদু বলেন..." পৃথিবী তে সেই সবচেয়ে বেশী শক্তিশালী, যে নিজের দুর্বলতা টা জানে।" আমারা সবাই কি ভালো পারি সেটাই আগে বলি...বা কোন বিষয়ে আমরা ভালো সেটাই আমরা আগে ভাবি। আমার দাদু বলতেন ...." আগে তুমি এটা ভাবো...কোন বিষয় তুমি সবচেয়ে দুর্বল ... সেটা অনুযায়ী তুমি বিষয়ের তালিকা তৈরী করো...তারপর সে অনুযায়ী রুটিন। "

সন্ঞ্চালক - (অবাক) ব্যাপার টা একটু বুঝিয়ে বললে ভালো হয় ...

(প্রথম ও দ্বিতীয় দুজনেই একটু অস্বস্তি তে তাকিয়ে, তৃতীয় যেন একটু বেশীই priority পাচ্ছে। )

তৃতীয় - ধরুন আমার সাত টা বিষয়। সবচেয়ে কঠিন লাগে অঙ্ক, তারপর তারচেয়ে একটু কম কঠিন লাগে ইংরেজি, তারপর ইতিহাস, তারপর ভূগোল,...এই ভাবে...সবচেয়ে ভালো লাগে বা সহজ লাগে সবশেষে বাংলা। একটা তালিকা করলাম।
1. অঙ্ক
2. ইংরেজি
3. ইতিহাস
4. ভূগোল
5. ভৌতবিজ্ঞান
6. জীবনবিজ্ঞান
7. বাংলা

এইবার আমি দিনে ছয় ঘন্টা পড়ি। এর বেশি আমার পড়ার সময় নেই। কারন মায়ের সঙ্গে মুড়ির প্যাকেট তৈরী র কাজটি রাতেই সারতে হতো।

 

 

 


এবার সকালে দুই ঘন্টা পড়তাম। একটা করে বিষয় এক ঘণ্টা। মানে সকালে দুই টি বিষয় পড়বো। ঐ দুটি slot এ আমি একটি তে বাংলা আর জীবনবিজ্ঞান alternate দিনে পড়তাম। মানে একদিন বাংলা, আরেকদিন জীবনবিজ্ঞান। সকালের দ্বিতীয় ঘন্টায় রোজ অঙ্ক করতাম। তারপর স্কুল যেতে হতো। কারন প্রাইভেট কোচিং নেই, তাই স্কুল কামাই করা যাবে না। আর স্কুল মানেই আমার একরাশ আনন্দ। প্রতিটি মুহূর্ত celebration।

তারপর ফিরে বিকালে মাঠে প্রান ভরে খেলা। দাদু বলে.... না খেললে নাকি মাথা ভালো খোলে না...আর সত্যিই তাই। খেলে এসে পড়াতে দারুন মন বসতো। সন্ধ্যা বেলায় তিন ঘণ্টা পড়তাম। ছটা থেকে ন টা। এই তিন টি ঘন্টা তিন টে slot এ তিনটি বিষয় পড়তাম। একটি slot এ ভৌতবিজ্ঞান আর ভূগোল alternate day করে..আর বাকি দুটি তে ইংরেজি আর ইতিহাস রোজ। এরপর রাতের খাওয়া খেয়ে সারে ন'টা থেকে দশটা অবধি দাদুর সঙ্গে কখনো রবীন্দ্র সঙ্গীত শুনতাম, কখনো দাদুর ছোট বেলার গল্প শুনতাম, স্বদেশী বিপ্লবী দের গল্প শুনতাম...আরো কত কি...!! তারপর দশটা থেকে এগারোটা অবধি রোজ একঘন্টা অঙ্ক করতাম। তারপর মায়ের সঙ্গে মুড়ির প্যাকেট তৈরী করতাম।

ব্যাস,এভাবেই আমার সব বিষয় পড়া হতো।

সন্ঞ্চালক - ( হতবাক)...বাহঃ ...দারুন তো। আচ্ছা প্রাইভেট কোচিং না থাকলে তো মকটেস্ট দেওয়ার সুযোগ হয়নি। সেক্ষেত্রে কোন সমস্যা হয়নি তোমার ?

তৃতীয় - আমি নিজেই নিজের টেস্ট নিতাম। কখনো কোন বন্ধু কে সঙ্গে নিতাম। সেটাও একটা প্ল্যান।

সন্ঞ্চালক - তাই নাকি! সেটা কেমন?

(প্রথম ও দ্বিতীয় দুজনেই ভীষণ ভাবে হতচকিত, কিন্তু কিচ্ছু করার নেই, তাদেরও শোনার ইন্টারেস্ট বেড়ে গিয়েছে।)

 

 

 


তৃতীয় - প্রথম প্রথম নিজেই নিজের পরীক্ষা নিতাম।নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময় নির্দিষ্ট বিষয়ের পরীক্ষা দেওয়ার জন্য টেস্ট পেপার থেকে পেজ লটারি করে বের করতাম। তার পর পরীক্ষা দিতাম সময় মেপে। তারপর স্কুল এ গিয়ে শিক্ষক দের কাছে দেখে দেওয়ার অনুরোধ করতাম। অনেকেই ভালোবেসে দেখে দিতেন। কেউ কেউ বেতন সহ বাড়িতে পড়তে যাওয়ার জন্য বলতেন। তারপর ভাবলাম আমাকে নিজেকেই কিছু করতে হবে। পাড়ার এক বন্ধু কে বললাম জুটি করে মকটেস্ট করবো। পদ্ধতি টি হলো এরকম...আমি আর আমার বন্ধু কেউ কাউকে না জানিয়ে নির্দিষ্ট বিষয়ের একটি পেজ টেস্ট পেপার থেকে বেছে রাখলাম। সেই প্রশ্নের কপি খাম বন্দী করে দুজন দুজনকে দিলাম। দুজনেই জানিনা খামে কি প্রশ্ন আছে। নিজের সময় মতো নিজের বাড়ি তে বসে খামের সিল ভেঙে ঐ প্রশ্নের সৎভাবে পরীক্ষা দিলাম। তারপর ঐ খাতা ফের ঐ প্রশ্নের সঙ্গে ঐ খামে ঢুকিয়ে একে অপর কে দিলাম। এবার দুজনেই দুজনের খাতা চেক করতাম । ওর খাতা চেক করতে ঐ প্রশ্নের উত্তর গুলি আমার ভালো করে পড়ে তৈরী করতে হতো। আবার আমার খাতা ও ঠিক দেখেছে কিনা সেটা যাচাই করতেও আমায় নিজের দেওয়া পরীক্ষার প্রশ্নপত্র টিও উত্তর তৈরী করতে হতো। এভাবেই আমার মকটেস্ট হতো।

একটা বিষয় বলা দরকার, আমি কোন বিষয়ে একঘন্টা পড়ার slot এ আধঘণ্টা পড়তাম আর আধঘণ্টা সেটাই লিখতাম, দাদু বলতেন " একবার লেখা মানে দশবার পড়ার সমান, লিখে লিখে পড়লে মাথা আর হাতের co- ordination ভালো তৈরী হয় "... আর পড়তে বসে কখনই ভাবতাম না আজ দশটা পেজ পড়বই , যতদুর পড়তে ভালো লাগত , ততদুরই পড়তাম ... আর সেটুকুই লিখে তৈরী করতাম। সময় ঐ এক ঘন্টা ই।

 

 


 

 


সন্ঞ্চালক - (বিস্মিত) অসাধারণ লাগল .... সত্যিই একজন কৃতীর যাত্রাপথ হয়ত এমনি হয়।

(অন্যদিকে প্রথম ও দ্বিতীয় দুজনেই হতভম্ব...তাদের বোধ হয় এসব ভাবনার বাইরে)

আচ্ছা প্রথম, রাহুলের কাছে জানতে চাই, ভবিষ্যতের কি ভাবনা তোমার?

প্রথম - আমি exactly SCIENCE নিয়ে পড়ে scientists হয়ে বিদেশে research করতে যেতে চাই। ভবিষ্যতে ওখানেই settled হবো।

সন্ঞ্চালক - আর দ্বিতীয়, রিমির কি ইচ্ছে ভবিষ্যতের জন্য?

দ্বিতীয় - আমি বড় ডক্টর হয়ে বিদেশে গিয়ে গবেষণা করতে চাই। তারপর দেশে ফিরে যদি কিছু করতে পারি দেখবো, নইলে বিদেশেই কাজ করবো। এই টুকুই আমার আপাতত ইচ্ছে।

সন্ঞ্চালক - আচ্ছা, আর স্বপ্নিল! তুমি নিশ্চয়ই খুব বড় ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশে যেতে চাও, মা আর দাদু কে নিয়ে?

তৃতীয় - না স্যার! লোভ আমার কম, প্রয়োজন তার চেয়েও কম। এটুকু জীবনের দুঃখ কষ্টের সঙ্গে লড়াই করে, নিজেকে একটু একটু করে চিনতে শিখেছি।

আমি চাই এক জন মানুষের মতো মানুষ হতে। আমার ভীষণ ইচ্ছে, আমি একজন শিক্ষক হয়ে আমার মতো শত শত অভাবী ছাত্র ছাত্রীদের পাশে যাতে দাঁড়াতে পারি।আমার মা, আমার দাদু, আমার খেলার মাঠ এর কাছেই আমি থাকতে চাই। রবিঠাকুরের গান শুনতে শুনতেই রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে চাই। সারা জীবন স্কুলের প্রার্থনা তে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে চাই,টিফিনের ঘন্টা, ছুটির ঘন্টা শুনতে চাই। আমি আমার দেশের মাটিতেই মিশে থাকতে চাই....শুধু মা কে একটু ভালো রাখতে চাই...মায়ের হাতের কড়া গুলি বোধহয় বড্ড যন্ত্রণা দেয় মা কে...শুধু মা কিছু বলে না হয়ত...(কথাগুলো বলতে বলতে স্বপ্নিলের চোখ ভিজে গেলো)

 

 

 

 


সবাই স্তব্ধ। প্রথম, দ্বিতীয় সবাই বেবাক। সন্ঞ্চালক নিজেকে একটু গুছিয়ে নিয়ে বললেন,

সন্ঞ্চালক - এবার আমাদের দর্শক বন্ধু দের জন্য আমরা ফোন লাইন ওপেন করছি। আপনাদের যদি কোন প্রশ্ন থাকে , শুভেচ্ছা বার্তা দেওয়ার থাকে screen এর নীচে দেওয়া নাম্বারে ফোন করে আমাদের কৃতীদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।

এরপর একের পর এক হাজারো ফোন আসতে লাগল। প্রথম, দ্বিতীয় কৃতীদ্বয় বিমূঢ় হয়ে বসে রইলো ।এদিকে তৃতীয় কৃতী উত্তর দিতে দিতে ক্লান্ত। এরমধ্যে অনুষ্ঠান শেষে একজন বৃদ্ধ শিক্ষক ফোন করলেন।

সন্ঞ্চালক - বলুন বন্ধু আপনি কি শুভেচ্ছা বার্তা আমাদের কৃতীদের উদ্দেশ্যে বলতে চান?

বৃদ্ধ শিক্ষক বললেন ....

"তৃতীয় তুমি নম্বরেতে
কিন্তু মনের খাতায় প্রথম ....
তোমার মনের স্বপ্ন সবুজ
ধন্য কঠোর তোমার শ্রম...
জীবন যুদ্ধে এমনি থেকো
রচিও জয়ের গীতি...
কৃতিত্ব তে তুমিই উচ্চে
তুমিই তো সেরা কৃতী....।।"

(গল্পে উল্লিখিত পড়ার রুটিন ও মকটেস্ট ভাবনা,আমার ছাত্র জীবনের আবিষ্কার, কারো কাজে আসলে খুশি হবো।তাই গল্পের ছলে ঐগুলো বলা)"

 

 

 

 

 

পড়ুন : বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিলোনা শুধু স্বপ্ন ছিলো। তাতে ভর করেই নবম স্থানাধিকার নিশার।