"Sampaoli ও Caballero-এর টাক ফাটানোর দাবিতে প্রতিবাদ মিছিল" আর্জেন্টিনাভক্ত দের বিক্ষোভ।

ভরসা ছিল আর্জেন্টিনার ওপর। গতবারের ফাইনালে যাওয়া দল এবারে LM10 এর নেতৃত্বে আনবে বিশ্বকাপ। আশা ছিল, নীল-সাদা রঙে রাঙিয়ে দেবার। বিশ্বকাপের আগে থেকে এভাবেই সেজে উঠছিল কলকাতার অলি গলি চেনা শহর। মমতা দিদি যা হাজার বলে করতে পারে নি, সেই LM10 এর যাদু তে ঘোর বিরোধীরাও ঘর সাজিয়েছে নীল সাদা রঙে।

কিন্তু স্বপপূরণে ব্যর্থ হয়েছে আর্জেন্টিনা। বৃহস্পতিবার রাতে ক্রোয়েশিয়ার কাছে আর্জেন্টিনা ৩-০ গোলে হারার পর প্রায় আশাহত হয়ে হাল ছেড়েই দিয়েছে মেসির ভক্তরা। আর তাই এই রাগ ভেঙে পরেছে কোচ এবং গোলকিপারের বিরুদ্ধে। সাগর যেভাবে আছড়ে পরে পাথরে, সেই ভাবেই ফুঁসছে এখন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা। মেসির ওপর অভিযোগ না থাকলেও কোচ হোর্হে সাম্পাওলি এবং গোল রক্ষক কাবালেরোর ওপর সমর্থক দের সব রাগ গিয়ে পরেছে।


আর প্রেম, ভালবাসা, অভিমান, রাগে যখন সব দিক থেকেই এগিয়ে থাকে বাংলার মানুষরা তখন এ ঘটনার কি প্রতিবাদ না হয়ে পারে? ফেসবুক জুড়ে প্রতিবাদে নামে কলকাতার সকল আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা। তিয়াসা ঘোষ নামের এক জন ফেসবুক ইউজার ফেসবুকে একটি ইভেন্ট চালু করেন। ইভেন্ট টির নাম দেওয়া হয় "Sampaoli ও Caballero-এর টাক ফাটানোর দাবিতে প্রতিবাদ মিছিল"। সেখানে জানানো হয় এই মিছিলে হাঁটা শুরু হবে ধর্মতলা থেকে শেষ হবে AFA এর head office এর সামনে। এখানেই শেষ নয় প্রায় ৪ হাজারের ওপর সমর্থক এই ইভেন্ট এ তাদের ইন্টারেস্ট দেখিয়েছেন। এবং প্রায় ১০০০ জন এই মিছিলে যাবার কথা জানিয়েছেন। ফুটবল প্রেমীদের মনের যন্ত্রণা নিয়েই মিছিলে হাঁটার আহ্বান জানানো হয়। তবে এ মিছিল হয়েছে কিনা সে বিষয়ে কোন খবর এখন ও পাওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে, হারের দায় নিজ কাঁধে নিয়ে ম্যাচ পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে আর্জেন্টিনার কোচ হোর্হে সাম্পাওলি বলেন, "সিদ্ধান্ত নেয়ার সর্বময় কর্তা আমিই ছিলাম। সব সিদ্ধান্ত একা নিয়েছি। তবে আমার সবকিছুই ভুল ছিল। ম্যাচটি ঘিরে অনেক আশা ছিল। সব উবে গেছে। পরাজয়ের তিক্ত যন্ত্রণা অনুভব করছি। এমন পরিস্থিতির জন্য আমিই দায়ী।"