আপনার ব্যবহার করা হেডফোনটি কি আপনার ক্ষতি করছে? আসুন জেনে নিন।

বর্তমানে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী বেশিরভাগ ই হেডফোন ব্যবহার করেন। গান শোনা থেকে শুরু করে ব্যস্ত রাস্তায় সময় কাটানোর অন্যতম সঙ্গীটির নাম হেডফোন। ভিডিও কলিং, মেসেঞ্জার, স্কাইপসহ কথা বলার জন্য হেডফোন সব থেকে বেশি ব্যবহার করে থাকি আমরা। এই হেডফোনের ব্যাবহারের যেমন কিছু ভালো দিক ও রয়েছে তেমন এমন অনেক ক্ষতিকর দিক ও রয়েছে।

আসুন প্রথমে জেনে নেওয়া যাক হেডফোন ব্যবহারের উপকারিতা :


অলস সময় পার করার সব থেকে ভালো উপায় হেডফোনের ব্যবহার। অনেক সময় ফোনের ফ্রন্ট স্পিকার ঠিক ভাবে কাজ না করায় কথা শুনতে অসুবিধা হয়, সে ক্ষেত্রে হেডফোনের ব্যবহার কথা বলা এবং শোনার ক্ষেত্রে অনেকটা সাহায্য করে। হেডফোনের ব্যাবহারের ফলে ফোন ধরা, ফোন কাটা এবং গান পরিবর্তনের মত সুবিধা গুলি খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়। ভিডিও কলিং করার সময় বেশির ভাগ মানুষই হেডফোনের ব্যবহার করেন, এতে পরিস্কার ভাবে, নির্বিঘ্নে কথা বলা সম্ভব। সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে যুক্ত থাকতে আপনাকে অনেকাংশেই সাহায্য করে আপনার এই হেডফোন।হেডফোন এর সাহায্যে Youtube  এর ব্যবহার করা যায়, FM শোনা যায়।

 

এবার জেনে নিন অপকারিতা গুলি : 


উপকারের পাশাপাশি এর কিছু অপকারিতাও আছে। দীর্ঘ সময় কানে হেডফোন রাখলে কানে দাগ হবার সম্ভবনা থাকে। কানে ব্যাথা হতে পারে এর ফলে। তাই হেডফোন কেনার সময় নরম কভারযুক্ত হেডফোন কেনার দিকে নজর দিন। অনেকেই ব্যাস্ত রাস্তায় হেডফোন ব্যবহার করেন এর ফলে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে যায়। আমাদের দেশে কানে হেডফোন দিয়ে রেল লাইন পার হবার সময় অনেক মানুষ কেই প্রান দিতে হয়। অনেকেই উচ্চ ভলিউমে গান শুনতে ভালোবাসেন তবে এর ফলে আপনার কানের শ্রবণশক্তি পুরোপুরি ভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

বাজারে ৬০ টাকা থেকে শুরু করে ২৫০০০ টাকার দামের ওপর ও হেডফোন পাওয়া যায়। তাই হেডফোন কেনার সময় অবশ্যই ভালো মানের হেডফোন কিনুন। নরম এয়ারবাড যুক্ত হেডফোন কিনুন। অল্প আওয়াজে গান শুনুন। আর কানে কোনো সমস্যা হচ্ছে এমনটি মনে হলে দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।