কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই, নেট দুনিয়ায় বিরোধীদের পরাস্ত করার মূল মন্ত্র তুলে দিতেচায় অভিষেক।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের সোশ্যাল মিডিয়ায় সচেতন করতে ডিজিটাল কনক্লেভের আয়োজন করা হয়েছে ১০ সেপ্টেম্বর নজরুল মঞ্চে৷ এই সভায় প্রধান বক্তা থাকছেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এক সময় তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া ডেরেকের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। তাই ডেরেক ও থাকতে পারেন এই সভায়। এখানে কি ভাবে ফেসবুকে প্রচার করা জেতে পারে। কি ভাবে উন্নয়ন কে মানুষের সামনে তুলে ধরা জেতে পারে সেই নিয়েই আলোচনা হতে পারে।

এবার এই কনক্লেভে প্রবেশ নিয়ে আঁটসাঁট করা হল নিরাপত্তা। জানা যাচ্ছে, সোমবার, মঙ্গলবার দুদিন ধরেই তৃণমূল ভবনে নাম নথিভুক্ত করা হয়। নাম নতি ভুক্ত আগে ৩ দিন করবার কথা থাকলেও এত সংখ্যক কর্মী প্রথম দিনেই নাম লেখাতে আসেন সোশ্যাল মিডিয়া কর্মীসভাতে যে ৩ দিনের নাম নথিভুক্ত কে কমিয়ে ২ দিন করা হয়। ৩, ৪ ও ৫ ই সেপ্টেম্বর ছিল নাম নথিভুক্তের দিন পরে তা কমিয়ে ৩ এবং ৪ তারিখ করা হয়।

তবে এখানেই শেষ নয়। ঐদিন প্রতিপক্ষের লোকজনও নিজেদের তৃণমূল বলে পরিচয় দিয়ে অনুষ্ঠানে ঢুকে পড়তে পারে এই আশঙ্কা ও উপলব্ধি করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব, তাই যারা নাম লেখালেন তাদের উপযুক্ত শংসাপত্র না দেখালে ঢুকতে দেওয়া হবে না সভায়। কি এই উপযুক্ত শংসাপত্র? জানা যাচ্ছে, তৃণমূলের টিকিটে জেতা কোন স্তরের প্রতিনিধির কাছ থেকে লিখিত আকারে শংসাপত্র নিয়ে আসলে তবেই মিলবে প্রবেশাধিকার।

অনেক আঁটসাঁট করা হচ্ছে এই ব্যবস্থা কে। সূত্রের খবর, আলোচনার বিষয় বিরোধী দলের কাছে পৌঁছালে এতে উল্টে ক্ষতি হতে পারে তৃণমূলের। বা তৃণমূলের রণকৌশল বুঝে নিয়ে পাল্টা প্রচারে নামতে পারে তারা। তাই কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়েই শুরু হবে এই কনক্লেভ। নেট দুনিয়ায় বিরোধীদের পরাস্ত করার মূল মন্ত্র তুলে দিতেই তাই কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই হতে চলেছে এই প্রশিক্ষণ শিবির।