"১৯৯৮ থেকে ২০১১ পর্যন্ত তৃণমূল মাত্র ৭৩ বার বনধ ডেকেছে" বাক্যবাণে বিদ্ধ তৃণমূল।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ কেন্দ্ৰীয় সরকারের পাহাড় প্রমান দুর্নীতি আর অন্যদিকে জনবিরোধী নীতি মূল্যবৃদ্ধি এই ইস্যুতে যারা ১০-ই সেপ্টেম্বর এই ইস্যু তে বামেরা এবং কংগ্রেস পৃথক ভাবে দেশ ব্যাপি ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। এই ধর্মঘট কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিজেপি বিরোধী জোট ই প্রায় এক ছাতার তলায় আসতে চলেছে। এই নিয়ে তৃণমূল তাদের অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রাখল।

কিছু দিন আগেই,  সূর্য মিশ্র ধর্মঘট নিয়ে ও বার্তা দিয়েছেন মমতাকে। তিনি মমতার উদ্দ্যেশ্যে বলেছেন, "আপনি যদি সত্যিই ফেডারেল ফ্রন্টের কথা বলে থাকেন, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে যা বলেন তা যদি সত্যিই সদিচ্ছা নিয়ে বলে থাকেন তাহলে কেন্দ্রের নীতির বিরুদ্ধে এই হরতালে আপনারাও যোগ দিন। দ্বিচারিতা করলে কিন্তু মানুষের কাছে আপনাদের অবস্থান প্রমাণিত হয়ে যাবে।"

তবে ধর্মঘট ভাঙ্গতে বদ্ধ পরিকর তৃণমূল। তাদের বক্তব্য, তৃণমূল কংগ্রেস ইস্যুগুলো সমর্থন করে তবে তৃণমূল কংগ্রেস ধর্মঘট করে কর্মনাশা দিবস পালন করবে না ৷ এছাড়া, শুক্রবার নির্দেশিকা জারি করে নবান্নের তরফ থেকে জানানো হল, সোমবার বনধের দিন অফিস না এলে কাটা যাবে একদিনের বেতন ৷ সব সরকারি কর্মচারীদেরই এদিন হাজিরা দিতে হবে অফিসে ৷ এমন কি, বন্ধে কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিমার কথা ও ঘোষণা করা হয়েছে তৃণমূলের পক্ষ থেকে। তৃণমূল নেতা ইদ্রিশ আলি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস বনধ কালচারের বিরুদ্ধে। এতে উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কিন্তু ইতিহাস বলছে অন্য কথা। ক্ষমতায় আসার আগে, ১৯৯৮ থেকে ২০১১ পর্যন্ত তৃণমূল মাত্র ৭৩ বার বনধ ডেকেছে, বলে প্রচার করছে বাম সমর্থকেরা। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে চরম ভাবে অপদস্তের স্বীকার হতে হয়েছে তৃণমূল কে। এর আগে ও ২০১৬ তে ও এই ভাবে ই তৃণমূল কে বিরোধিতা করা হয়। বিরোধীদের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি, ধর্মঘট বিরোধী হতেন তাহলে কেন তিনি ক্ষমতায় আসার আগে ৭৩ বার ধর্মঘট ডেকেছিলেন? এভাবে কি মোদী কেউ সমর্থন করছেন না মমতা? তবে এ নিয়ে উত্তর মেলেনি তৃণমূলের।