৩০০ মতুয়া এবং ২০০ বৈষ্ণব সন্ন্যাসী এবার যোগ দিল বিজেপিতে। কেন? জানুন।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ রাজ্যে এবার মতুয়া দের নিয়ে শুরু হল রাজনীতি। মতুয়া তৃণমূল না বিজেপি এই নিয়ে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে শুরু হল বিবাদ। গত বুধবার ৩০০ মতুয়া কলকাতায় বিজেপির রাজ্য কার্যালয়ে গিয়ে যোগ দেন দলটিতে। হাতে তুলে নেন বিজেপির পতাকা। একই দিন আরও ২০০ বৈষ্ণব সন্ন্যাসীও যোগ দেন বিজেপিতে। তবে ঘটনার সূত্রপাত এখান থেকে নয়।

পশ্চিমবঙ্গের মতুয়া সম্প্রদায়ের মহাসংঘের সংঘাধিপতি হলেন মা বীণাপাণি দেবী। তিনি রাজনীতি না করলে ও তার দুই ছেলে তৃণমূলের সঙ্গে জড়িয়ে পরেন। বীণাপাণি দেবীর বড় ছেলে কপিলকৃষ্ণ ঠাকুর ২০১৪ সালে তৃণমূলের টিকিটে বনগাঁ কেন্দ্র থেকে হয়েছিলেন সাংসদ। তবে সাংসদ হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে তাঁর অকস্মাৎ মৃত্যু হয়। এরপরে তাঁর শূন্য আসনে উপনির্বাচনে স্ত্রী মমতাবালা ঠাকুর তৃণমূলের মনোনয়ন পেয়ে সাংসদ হন। এখনো তিনি তৃণমূলের সাংসদ।

আর ছোট ছেলে ও, মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর গাইঘাটা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভার উদ্বাস্তু-সংক্রান্ত প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পেয়ে ও যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে, পরে আবার তৃণমূলে ফিরে এলেও সেভাবে জায়গা পান নি দলে।

তবে NRC নিয়ে বিতর্ক শুরু হবার পর থেকেই বিজেপির দিয়ে ভয়ে হেলতে শুরু করে রাজ্যের অপার বাংলা থেকে আশা মতুয়া সম্প্রদায়। তারা মনে করতে থাকেন, যদি বিজেপি র পাশে থাকা যায় তবেই NRC হলে তাদের এরাজ্যে থাকার অধিকার থাকবে সুরক্ষিত। এর ফলে, বিজেপির আহ্বানে গত বুধবার ৩০০ মতুয়া কলকাতায় বিজেপির রাজ্য কার্যালয়ে গিয়ে যোগ দেন বিজেপিতে। হাতে তুলে নেন বিজেপির পতাকা। একই দিন আরও ২০০ বৈষ্ণব সন্ন্যাসীও যোগ দেন বিজেপিতে।

বিজেপির সহসভাপতি বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী বলেছেন, আজ যেসব মতুয়া ও বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের ভক্তরা বিজেপিতে যোগ দিলেন, তাঁদের মাসিক অবসরভাতা এবং তীর্থস্থান বিনা ভাড়ায় ভ্রমণের ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেবে বিজেপি। তবভে এই ঘটনায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখন ও কোন মন্তব্য করা হয়নি।