বনধের দিনে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত। সহ-শিক্ষকদের মানসিক নির্যাতনে হৃদরোগে আক্রান্তশিক্ষক।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ কেন্দ্ৰীয় সরকারের পাহাড় প্রমান দুর্নীতি আর অন্যদিকে জনবিরোধী নীতি মূল্যবৃদ্ধি এই ইস্যুতে যারা ১০-ই সেপ্টেম্বর এই ইস্যু তে বামেরা এবং কংগ্রেস পৃথক ভাবে দেশ ব্যাপি ধর্মঘটের ডাক দেয়। বাংলা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সফল হয় এই ধর্মঘট। তবে এই ধর্মঘটের দিন বিদ্যালয়ে না গিয়ে মাসুল গুনতে হল হুগলী কলেজিয়েট বিস্যালয়ের শিক্ষক কে।

আগেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তৃণমূল কংগ্রেস ইস্যুগুলো সমর্থন করে তবে তৃণমূল কংগ্রেস ধর্মঘট করে কর্মনাশা দিবস পালন করবে না ৷ এই নিয়ে শুক্রবার নির্দেশিকা জারি করে নবান্নের তরফ থেকে জানানো হল, সোমবার বনধের দিন অফিস না এলে কাটা যাবে একদিনের বেতন ৷ সব সরকারি কর্মচারীদেরই এদিন হাজিরা দিতে হবে অফিসে ৷ তবে অনেকেই অফিসে যায়নি ঐ দিন।

হুগলী ব্রাঞ্চ বিদ্যালয়ের অঙ্কণ শিক্ষক বিশ্বনাথ দে, ঐ দিন ‘বিশেষ কারনে’ বিদ্যালয়ে জেতে পারেন নি। পরে বিস্যালয়ে গেলে, তার দুজন তৃণমূলপন্থী সহ-শিক্ষক তাঁকে চেপে ধরেন। তাঁকে চেঁচিয়ে জানতে চাওয়া হয়, কেন তিনি ধর্মঘটের দিন বিদ্যালয়ে আসেন নি। তিনি ধর্মঘট সমর্থন করেন কিনা? বিশ্বনাথবাবুকে নানাভাবে হেনস্থা করায় সেখানেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

তার পরে তাঁকে চুঁচুড়ার ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে কলকাতায় পাঠানো হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিশ্বনাথবাবুর অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসাপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে চিঠি দিয়েছেন বলে জানা গেছে। বিশ্বনাথ বাবুর পরিবার ও এই ঘটনায় ঐ দুই শিক্ষকের শাস্তি দাবি করেছে।