জলপাইগুড়ি জুড়ে উন্নয়নের ছোঁয়া, প্রাথমিকের চাকরি পেলেন তৃনমূল সদস্যরা। দেখুনতালিকা।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ সামনে এল বড় দুর্নীতি। সারা রাজ্য জুড়ে যেখানে চাকরি নেই বলে বার বার ছাত্র যুবরা রাস্তায় নামছে, সেখানে এবার প্রাথমিকের চাকরি পেল তৃনমূল হেভিওয়েট নেটা মন্ত্রী দের ছেলে মেয়েরা। এই ঘটনা নিয়ে রিতিমত  চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীরা এই নিয়ে একটি লিফলেট প্রকাশ করে নিজেদের প্রতিবাদ জাহির করেছেন সেই লিফলেটে প্রকাশিত তালিকা অনুসারে যারা চাকরি পেয়েছেন তারা হলেনঃ



জলপাইগুড়ি জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সভাপতি ধর্ত্তি মোহন রায়ের ভাই ও ভাইঝি। জেলা তৃণমূলের সভাপতি দুলাল দেবনাথ এর ছেলে রাহুল আমিন আনসারী ও হবু ছেলের বউ। জলপাইগুড়ি পৌরসভা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল মাহাতোর বউ রানী মাহাতো। ধুপগুড়ির টাউন ব্লক তৃণমূল সভাপতি গোপাল মুখার্জীর দুই মেয়ে ডালিয়া মুখার্জী ও বাবলী মুখার্জী। মালবাজারের তৃণমূল বিধায়ক বুলু চিক বরাইকের মেয়ে। জলপাইগুড়ি পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সম্রাট রায় চৌধুরীর বউ। ময়নাগুড়ি দু'নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি শশাঙ্ক রায় বাসুনিয়ার ছেলে শিবম রায় বাসুনিয়া এছাড়া ও বাসুনিয়া পরিবারের শতাব্দী বাসুনিয়া ও রেশমি রায় বসুনিয়া। রায়গঞ্জ  ব্লক তৃণমূল সভাপতি মোশারফ হোসেনের ছেলে মোতাহার হোসেন ও দুই ছেলের বউ। রায়গঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ওহিদার রহমানের দুই ছেলে ও শ্যালক। গড়ালবাড়ি অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি মলিন রায়ের মেয়ে। ধূপগুড়ি কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি সুদীপ মল্লিকের বউ। জলপাইগুড়ি ১৩ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল যুব কংগ্রেস নেতা গৌরব সাহা।




এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ছড়িয়েছে চাঞ্চল। কিভাবে নেতা মন্ত্রী দের আত্মীয়রা চাকরি পেলো তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নেতা রা প্রভাব খাটিয়েই তাদের আত্মীয়দের ভর্তি করেছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।