মালদা মেডিক্যালে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য কে ঘিরে বিক্ষোভ। দায় এড়িয়ে দোষ চাপালেনবামেদের ওপর।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ এবার মালদা তে মেডিক্যাল কলেজ পরিবদর্শনে গিয়ে বড় চাপের মুখে পড়লেন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মেডিক্যাল কলেজ পরিবদর্শনে যাবার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন রোগীর পরিজনরা। পরিষেবা না পাওয়ায় অনেক দিন ধরে ক্ষোভ জন্মাচ্ছিল মানুষের মধ্যে, আজ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য কে হাটের কাছে পেয়ে এই ক্ষোভ ই দাবানলের আকার নেয়।

মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মাতৃমা বিভাগ নিয়ে অভিযোগ উঠছে অনেক দিন থেকেই। কয়েক মাস আগেই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মাতৃমা বিভাগের এসি থেকে আগুন ঘিরে আতঙ্ক তৈরি হয়। আজ সেই, মাতৃমা বিভাগে গিয়েই মাতৃমা বিভাগ নিয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেন চন্দ্রিমা দেবি। তার সঙ্গে ছিলেন, মেডিক্যাল কলেজ প্রিন্সিপাল প্রতীপ কুন্ডু-সহ স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।



সেখান থেকে বের হবার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় চন্দ্রিমা কে। জেলাশাসক কৌশিক ভট্টাচার্য ঘটনাকে লঘু করে বলেন, পরিসেবা সঠিক ভাবে না পেয়ে মানুষ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তবে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দায় এড়িয়ে দোষ চাপিয়েছেন বামেদের ঘাড়ে। তার সাফ দাবি, "২০১১ র আগে এক দিকে নিয়োগ হয়নি, অন্য দিকে রিট্যায়মেন্ট এর ফলে একটা বড় গ্যাপ তৈরি হয়েছে, সেই গ্যাপ পূরণ করতে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ২০১১ থেকে নতুন মেদিক্যেল কলেজ করেছেন। আগামী দিনে আরও ৫ টি ম্যেদিক্যাল কলেজ হবে।"

তবে এই ঘটনায় রুগী দের পরিবারের দাবি, মেডিক্যেল কলেজে যদি পরিসেবা না তাহকে হবে একটা কেন, হাজার মেডিক্যাল কলেজ করে ও মানুষের লাভ হবে না। প্রসঙ্গত মালদা মেদিক্যলে এই মুহূর্তে একটি বেডে ২ জন রুগিকে রাখা হচ্ছে। এছাড়া জেলায় প্রায় ৪০% চিকিৎসক কম আছে।