দুর্নীতি করেই ভোটে জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীরা, দাবি বাম কংগ্রেসের।

১০দিক২৪ মুতাহার কামালঃ বুধবার চোপড়া ব্লকের ৬নং ঘীরনিগাও গ্রাম-পঞ্চায়েতের প্রধান গঠন প্রক্রিয়া শেষ হল কড়া পুলিশই নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে। এদিন প্রধান হিসাবে মনোনীত হলেন হাসনাবানু এবং উপপ্রধান হয়েছেন মকসেদুল রহমান। ঘীরনিগাও গ্রাম-পঞ্চায়েতে মোট ১৯ টি আসন রয়েছে। এবার পঞ্চায়েত ভোটে সেখানে ১৮ টি আসন তৃনমূল কংগ্রেস এবং ১টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস।




এদিনের এই প্রধান গঠনকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা থাকায় বিশাল পুলিশই ব্যবস্থা করা হয়েছিল চোপড়া ব্লক প্রশাসনের তরফে। প্রধান গঠন প্রক্রিয়া সম্পর্ক হলেও বিরোধীদের দাবি যে, "তারা এই নতুন বোর্ডের প্রধান, উপধানকে মানবে না। এই প্রধান, উপপ্রধান পুলিশ প্রশাসনের প্রধান তারা জনগণের প্রধান নয় । তাই আমরা গোটা ঘীরনিগাও অঞ্চল জুড়ে এই দিনটিকে কালা দিবস হিসাবে মানা হচ্ছে"। তারা আরও বলেন,বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আমরা কালা দিবস ও বন্ধ পালন করবো । আর আগামীকাল থেকে নতুন বোর্ডের প্রধান, উপপ্রধান সহ কোনো সদস্যকে পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকতে দেবেনা বলেও তারা জানান। কারণ ভোটে সন্ত্রাস করে এবং কাউন্টিং হলে বিরোধীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি ।

এই নিয়ে তারা হাইকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছে বলে। আগামী ২৭ তারিখে কোর্টের শুনানি রয়েছে। হাই কোর্টের সেই ন্যায় রায়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে তারা"। এছাড়া চোপড়ার তৃনমূল কংগ্রেসের দাবি যে, "চোপড়া ব্লকে বিরোধী শূন্য সবকয়টি গ্রাম-পঞ্চায়েত আমরা দখল করেছি। এই জয় সাধারণ মানুষের জয় । সাধারণ মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এই কারণে পুলিশ প্রশাসনের উপর আমাদের আস্থা রয়েছে।"