লক্ষণ কে দলে নেবে? নাকি নেবে না! কি ভাবছে তৃণমূল? জেনে নিন চাঞ্চল্যকর খবর।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ এবার তৃণমূলে যোগ দিতে চান লক্ষণ। তিনি ইতি মধ্যেই সাংবাদিক দের জানান, "তৃণমূল কংগ্রেস যদি নিতে চায় অসুবিধা নেই, তবে  তৃণমূল কংগ্রেস নিতে হয়ত কিছুটা দ্বিধা গ্রস্ত আছে। নন্দিগ্রাম থেকে ই তো উত্থান। আর নন্দিগ্রামের ঘটনার সঙ্গে আমার নাম মিডিয়া জড়িয়ে দিয়েছে। যদি ও আমি জানি নন্দিগ্রামে যা কিছু ঘটেছে আলিমুদ্দিনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মুখ্যমন্ত্রী তার ই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী। তবে তৃণমূল কংগ্রেস আমাদের কে নিতে চাইবেনা। তবে যদি শুভেন্দু অধিকারি রাজি হয় তবে তৃণমূল কংগ্রেস আমাকে নিতে পারে।"




সূত্রের খবর, তৃণমূলে যোগ ইতে চেয়ে শুভেন্দু বাবু কে একাধিক বার ফোন ও করেন তিনি। কিন্তু ফোন ধরেন নি শুভেন্দু বাবু। তাই কিছুটা হতাশ ছিলেন লক্ষণ শেঠ। এবার আবার ও হতাশ ই হতে হল তাঁকে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে সবুজ পতাকা না দেখিয়ে লাল পতাকাই দেখানো হতে পারে লক্ষণ বাবু কে। শুভেন্দু বাবুর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীর মন্তব্য থেকে অন্তত এমনটাই মনে হচ্ছে।

এদিন দিব্যেন্দু বাবু সাংবাদিক দের বলেন, ‘‘রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দলের সব সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। দলে তাঁকে নেওয়া যাবে কি না সেটা তিনি ঠিক করবেন। আমি সাংসদ হিসাবে মনে করি দলে যোগদান করা জন্য ওনার সেই সেই যোগ্যতা নেই। উনি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন । আর ওনার অতীত ইতিহাস ওনাকে ক্ষমা করবে বলে আমি মনে করি না।" এই মন্তব্য থেকেই অনেকে ভাবছেন হয়ত শেষ মেস তৃণমূলে প্রবেশ করার দরজা না ও খুলতে পারে লক্ষণের জন্য। আবার অনেকের মতে, রেজ্জাক মোল্লা কে মমতা যদি মন্ত্রী করতে পারেন তাহলে লক্ষণ কে ও দলে নিতে আপত্তি হবার কথা নয় তৃণমূলের। তবে এই বিষয়ে শেষ সিদ্ধান্ত নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।