তৃণমূল কে চাপে ফেলতে, মুখ্যমন্ত্রীর বিদেশসফর সংক্রান্ত একগুচ্ছ প্রশ্ন নিয়ে RTIসুজনের।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ এবার রাজ্যের শাষকদলের সাথে সম্মুখসমরে নামলো রাজ্যের অন্যতম বিরোধী দল সিপিআইএম। মুখ্যমন্ত্রীর বিদেশসফর সংক্রান্ত একগুচ্ছ প্রশ্ন নিয়ে আরটিআই করলেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী।

তবে এখানেই শেষ নয়। বামদলের এই হেভিওয়েট নেতা জানিয়েছেন তিনি এর শেষ দেখে ছাড়বেন। এর আগেও একাধিক ইস্যুতে বাম বিধায়করা তথ্য জানার অধিকার আইনে আরটিআই করেছিলেন। কিন্তু তাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাজ্য সরকার কোনোরকম সদুত্তর দেয়নি। সুজনবাবু জানিয়েছেন এবারের প্রশ্নের উত্তর না পেলে তিনি হাইকোর্ট বা সুপ্রীমকোর্ট অবধিও যেতে রাজী আছেন।





তাঁর প্রশ্নগুলির মধ্যে অন্যতম হল মুখ্যমন্ত্রী থাকা কালীন তিনি কতবার বিদেশ গিয়েছেন? কারা কারা তাঁর সফরসঙ্গী ছিল? পুরো সফর টিতে হোটেল খরচ মিলিয়ে কত খরচ হয়েছে? শিল্পসংক্রান্ত কতগুলি চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সাক্ষরিত হয়েছে? বাস্তব পরিস্থিতি তে সেই শিল্পের খাতে লগ্নিই বা কত? তিনি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এই প্রশ্নগুলির জবাব দিতে বাধ্য। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শোরগোল শুরু হয়েছে শাষকমহলে।




এছাড়াও সাংবাদিক সম্মেলনে ক্ষোভ প্রকাশ করে সুজন চক্রবর্তী জানিয়েছেন প্রতি বছর জনতার টাকায় বিদেশ যাওয়াটা একটি উৎসবে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এই জার্মানী, ইতালী বা চীন ঘুরে কোনো লগ্নিই আনতে পারছেননা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং তাঁর এই সফরের সময়ই তালা পড়ে যাচ্ছে রাজ্যের কারখানাগুলিতে। দাপুটে এই বাম নেতা আরও বলেছেন যে বছর বছর ফ্লাইওভার ভেঙে পড়ছে। এগুলির কোনো সংস্কারের ব্যবস্থা নেই। উল্টে দ্বিতীয় হুগলী সেতু বা মা ফ্লাইওভারে সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য ভারী ভারী টব বসানো হয়েছিল। আবার ব্রিজের ভার লাঘব করতেতা তুলেও ফেলা হয়। এই টব বসানোর টেন্ডার কারা কী স্বার্থে পেয়েছিল তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।  সব মিলিয়ে এবার শিল্প, বিদেশভ্রমণ বা ফ্লাইওভার সব ইস্যুতেই শাষকদলকে চেপে ধরার পথে সিপিআইএম।