এবার ভাবাদিঘীতে লাস এনে উত্তেজনা ছড়াবার চেষ্টা চালালো তৃণমূল।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ ভাবাদিঘীতে ফের উত্তেজনা ছড়াবার চেষ্টা চালালো তৃণমূল। ক্যান্সারে মৃত দলীয় কর্মীর মৃতদেহ ভাবাদিঘীতে এনে উসকানি মূলক কথাবার্তা বলতে থাকে তৃণমূলবাহিনী। যদিও গ্রামবাসীদের মিলিত প্রতিরোধে চটজলদিই গ্রাম ছেড়ে চম্পট দেয় তারা।

প্রসঙ্গত গোঘাটের মোদিনা গ্রামের তৃণমূল কর্মী সঞ্জয় মালিক ক্যান্সার রোগাক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য মুম্বাই যাচ্ছিলেন। সোমবার ট্রেনেই তাঁর মৃত্যু ঘটে। এই সঞ্জয় মালিকের নামে ভাবাদিঘীতে দিঘী দখল, তৃণমূল অফিসে মদের আসর বসানো থেকে শুরু করে গ্রামবাসীদের হুমকি দেওয়া, স্থানীয় মহিলাদের উত্যক্ত করা ইত্যাদি নানা ধরণের অভিযোগ আগে থেকেই ছিল।




এদিন তার মৃতদেহ নিয়েই দিনভর উত্তেজনা ছড়াবার চেষ্টা করল তৃণমূল। মঙ্গলবার হঠাৎই তৃণমূলের ঝান্ডা লাগানো গাড়ীতে সঞ্জয় মালিকের মৃতদেহ নিয়ে আসা হয় ভাবাদিঘীতে। সঙ্গে ছিল বাইক বাহিনীও। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন এবার গায়ের জোরে দিঘী দখল করে নেওয়া হবে এরকম হুমকিও ওই গাড়ি থেকে দেওয়া হয়। তবে গ্রামবাসীদের প্রতিরোধের মুখে পড়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই এলাকা ছেড়ে পালায় তৃণমূল বাহিনী।
এ বিষয় 'ভাবাদিঘী বাঁচাও কমিটি'র সদস্য অঞ্জন রায় জানিয়েছেন এদিন হঠাৎ করেই ভাবাদিঘীতে খালের উপর সেতুর তদারকিতে আসেন গোঘাট পঞ্চায়েতের তৃণমূলী প্রধান মণীষা সেন সহ পঞ্চায়েতের সদস্যরা। এছাড়াও তৃণমূল নেতা জয়দেব রায়। তারপরেই মৃতদেহ নিয়ে গ্রামে ঢুকে হুমকি দিতে থাকে বাইকবাহিনী। তিনি বলেছেন গোঘাটের বিধায়কও ছিলেন গাড়িতে।



তবে এহেন হুমকির মুখে পড়েও নুয়ে পড়েননি ভাবাদিঘীর মানুষজন। কোনো হামলার মুখেই যে পিছু হটবেননা তা সাফ জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা। গ্রামের মহিলারা বলেছেন তৃণমূল আবার হামলা করতে এলে তার পাল্টা প্রত্যুত্তর দিতে তৈরী তাঁরা।