বেকায়দায় শাষকদল তৃণমূল। এবার ফাঁসতে পারেন অনেক তাবড় তাবড় নেতা।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ সুদীপ্ত রায়চৌধুরির গ্রেপ্তারীকে ঘিরে বেশ বেকায়দায় শাষকদল তৃণমূল। ইডি সুত্রে খবর এবার ফাঁসতে পারেন অনেক তাবড় তাবড় নেতারা।




মূলত এই সুদীপ্ত রায়চৌধুরী করতেন মধ্যস্থতার কাজ। সারদা বা রোজভ্যালীর টাকা বিদেশে পাচার হত তার হাত ধরেই। ওঠাবসা ছিল শাষকদলের অত্যন্ত ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের সাথেও। তদন্তে ইডি জানতে পেরেছে রোজভ্যালী কর্তার গ্রেপ্তারীর আগে তার থেকে প্রায় কয়েকশো কোটি নেয় অভিযুক্ত সুদীপ্ত। তার মোটা অংশ বিদেশে পাচার হয় ও কিছু টাকা স্থানীয় বাজারেও খাটানো হয়। যাতে পুর্ণ মদত ছিল শাষক দলের তিন মন্ত্রীর। যার ফলে সেই টাকার বেশ বড় অংশ তৃণমূলের অফিসেও পৌঁছে যায়।
শুধু নেতা মন্ত্রী নয়, কলকাতা পুলিশ ও ইডির অভ্যন্তরেও সুদীপ্তর লাইন ছিল যথেষ্ট। ঘুষকান্ডে অভিযুক্ত ইডি অফিসার মনোজ কুমারের সাথে তার ঘনিষ্ঠতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। পুলিশের এক মহিলা অফিসার ও মুকুল রায়ের সাথেও ঘনিষ্ঠতা ছিল।

এদিন সুদীপ্ত রায়চৌধুরীর বাড়ীতে তল্লাশী চালিয়ে তার নামের একাধিক ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড বাজেয়াপ্ত করা হয়। প্রায় একশো কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সিজ করা হয়েছে ১৩টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও।




বছর দশেক আগে ভুয়ো ডাক্তারীর শংষাপত্র নিয়ে ডাক্তারী করার জন্য গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সুদীপ্ত। ঘনিসাঠমহলে এখনও তাকে 'ডাক্তারবাবু' বলেই ডাকা হয়। এখন এটাই দেখার এহেন 'ডাক্তারবাবু'র গ্রেপ্তারীতে পরবর্তীতে শাষকদলে কজন রোগীর সংখ্যা বাড়ে।