রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার হয়েছিল নন্দীগ্রাম। এবার মমতার গোপন তথ্য সামনে আনলমুকুল।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ নন্দীগ্রাম কি এবার হারিয়ে গেল বিস্মৃতির অতলে? ১১বছর আগের যে ঘটনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে বসিয়ে দিয়েছিল ক্ষমতার মসনদে। এবার মমতার বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ তুললেন অধুনা বিজেপির মুখপাত্র মুকুল রায়।

২০০৭ সালের সেই নভেম্বর রাজ্যের পটবদলে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিল তৎকালীন সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম। সিঙ্গুরের জমিতে কারখানা তৈরীর বিরোধীতা থেকে শুরু হয়েছিল সমস্ত ঘটনা। সেসময় ঘরছাড়া হয়েছিলেন শতাধিক মানুষ। হিংসা ছিল নন্দীগ্রামের রোজনামচা। পরিস্থিতির ফায়দা তুলতে আসরে নেমে পড়ে মাওবাদী সংগঠনগুলিও। বলা হয় সেসময় বাম সরকারের সহমতিতে পুলিশ অত্যাচার করে সাধারণ গ্রামবাসীদের ওপর। এই আন্দোলনের মুখ্য নেতৃত্বে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ও সেকেন্ড ইন কম্যান্ড ছিলেন মুকুল রায়।



আজ সময় পেরিয়ে গেছে ১১বছর। হলদি নদী দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল। সেই মুকুল থায় এখন বিজেপির মুখপাত্র। আজ আর মমতা মনে রাখেননি নন্দীগ্রামকে। নন্দীগ্রাম থেকে যা সুবিধা পাওয়ার তা পাওয়া হয়ে গেছে এখন আর তার দরকার নেই এই বলে তোপ দেগেছেন মুকুল রায়। তিনি বলেছেন নন্দীগ্রামকে আর মনে রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী।

মুকুল রায় বলেছেন সেই সময়ের মুখ্যমন্ত্রীর সাথে আজকের মুখ্যমন্ত্রীর কোনো তফাৎ নেই। তিনি এখন কলকাতায় চলচিত্র উৎসব করছেন। শাহরুখ খান, অমিতাভ বচ্চন কে এনে উদ্বোধন করাচ্ছেন। কিন্তু নন্দীগ্রাম নিয়ে একটি কথাও উচ্চারণ করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইস্যুকে সামনে নিয়েই এবার লোকসভা ভোটে নামতে চলেছে বিজেপি। তবে এক সময়ে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সৈনিক মুকুল রায় আজ ঝাণ্ডা পাল্টেছেন, মানুষ তাঁকে কতটা বিশ্বাস করবে এই নিয়ে ও উঠছে প্রশ্ন।