"মমতার বিজেপির রথযাত্রা রোখার কোনো ক্ষমতাই নেই।" জানিয়ে দিলেন সূর্য।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এদিন ক্ষোভ উগড়ে দিলেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক সুর্যকান্ত মিশ্র। পাশাপাশি ধিক্কার জানালেন বিজেপির রথযাত্রাকেও। বললেন মূলত বিজেপি তৃণমূল দুটি দলই তীব্র সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের উদ্দেশ্যেই করছে এগুলি।

সোমবার সিপিআইএম রাজ্য দপ্তরে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি সরাসরি বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপির রথযাত্রা রোখার কোনো ক্ষমতাই নেই। রাজ্যের পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতেই এ ধরণের উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে বিজেপিকেও একহাত নেন রাজ্য সিপিএমের এই দ্পুটে নেতা। বিজেপি কে 'ভারতীয় যাত্রা পার্টি' হিসেবে সম্বোধন করে তিনি বলেন আসলে সামনে ২০১৯এ লোকসভা ভোট। ভোট বৈতরণী পার করতেই এই রথযাত্রার নামে ভোটযাত্রা করছে বিজেপি। এবছরে ৬ই ডিসেম্বরকে বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে দেশ কে শান্তিপূর্ণ রাখার ও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিহত করার জন্য দেশের সব ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিকে এক হবার ডাক দেন সুর্যকান্ত মিশ্র।



আগামী কর্মসূচী কৃষক ও ক্ষেতমজুরদের ২৮ ও ২৯শে নভেম্বর সিঙ্গুর থেকে রাজভবন পদযাত্রার বিষয় তিনি বলেন সিঙ্গুরে কারখানা হতে দেননি তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনিচ্ছুক কৃষক দের সামনে এনে তুলেছিলেন ৪০০একর জমির দাবী। কিন্তু এখনও এক একর জমিও কেউ পায়নি। কারখানাটাও হলোনা। মুখ্যমন্ত্রী ওখানে সরষের বীজ ছড়াচ্ছেন। আবার পড়ে বলছেন ওই জমিতে ধান হচ্ছে। সে কারণে কৃষকদের কাজে নিশ্চয়তা, রেগা প্রকল্পে ২০০দিন কাজ, কৃষিঋণ মকুব, মজুরী বৃদ্ধি ইত্যাদি নানান দাবী নিয়ে সিঙ্গুর থেকে রাজভবন অভিযান করবেন কৃষকরা।

এছাড়াও রাজ্যে ঘটে যাওয়া শবরদের অনাহারে মৃত্যুর কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন নুন্যতম জীবন ধারণের কোনো সুবিধাই ছিলনা ওই গ্রামে। অনাহারে মৃত্যু ঘটনা এ রাজ্যে বেনজির।



সিবিআই নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে তিনি বলেন ওভাবে সিবিআই কে রোখা যায়না। তারা কোর্টের নির্দেশে তদন্ত করছে। আসলে মমতা ভীত। কখন দলের কোন নেতা বিজেপিতে চলে যাবে। কারণ তাঁর দলের প্রায় সব হেভিওয়েট নেতারাই গোপনে বিজেপির সাথে সমঝোতা করেই চলছে।