'তুলি' দিয়ে তোলা? মমতার আঁকা ছবির হিসেব চেয়ে সিবিআই দফতরে ডাকা হল সুব্রতবক্সীকে।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ তৃণমূল সুপ্রিমো তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারে বারে দাবী করেছেন তিনি নিজের আঁকা ছবি বিক্রি করে ও নিজের লেখা বই এর প্রাপ্ত লভ্যাংশ থেকেই দলের খরচ চালান। এবার তাঁর এই দাবী খতিয়ে দেখতেই তদন্তে নেমেছে সিবিআই। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বক্সীকে এই বিষয়ক জিজ্ঞাসা করার জন্যই আজ ডাকা হল সল্টলেকে সিবিআই দফতরে।



জানা যাচ্ছে, ৮ বছর আগে মুখ্যমন্ত্রীর আঁকা ছবির হিসেব চেয়ে CBI এর জেরার মুখে পড়তে হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বক্সী। ৮ বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ছবি বিক্রি করার জন্য একটি প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়। যেখানে অনেক নামীদামী ব্যক্তি এই সব ছবি কেনেন। মোট ১৫টি বিক্রি হওয়া ছবি সিবিআই বাজেয়াপ্ত করেছে। যার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর আঁকা পাঁচটি ছবি কেনেন প্রযোজক শ্রীকান্ত মোহতা, যা বর্তমানে তিনি সিবিআইয়ের কাছে জমা দিয়েছেন।

ছবি বিক্রি সংকান্ত কারণে সিবিআই এর পক্ষ থেকে ৩ জন কে ডেকে পাঠানো হয়। ডেরেক ও’ব্রায়েন, সুব্রত বক্সী ছাড়া ডেকে পাঠানো হয় মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির অফিসে সচিবের পদে থাকা মানিক মজুমদারকে। আজ বেলা ১২টা নাগাদ সুব্রত বাবু সল্টলেকে সিবিআই দফতরে পৌঁছন।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে বামেরা সহ বিরোধীরা দাবি করে আসছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি প্রদর্শনী নামে তোলা তুলেছেন। এর আগে ২০১৪ সালে সিপিআই(এম) নেতা গৌতম দেব ছবি বিক্রি নিয়ে মমতাকে আক্রমণ করে একটি সংবাদ মাধ্যমে জানান, "ছবি বিক্রি করে এই দশ কোটি টাকার বেশি আয়ের উৎস কি? কারা কিনেছেন এই ছবি? সবাই জেনে গেছেন যে সারদার মালিক মুখ্যমন্ত্রীর ছবি ১কোটি ৮৬লক্ষ টাকায় কিনেছেন। তাহলে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ছবি কাদের বিক্রি করে কত টাকা পেয়েছেন তা জানাবেন না কেন? যারা টাকা দিয়েছেন তাঁরা হিসাব বহির্ভূত কালো টাকা দিয়েছেন কিনা সেটাও তো জানতে হবে।" আর এর ই মধ্যে লোকসভার আগেই এভাবে ছবি বিক্রি করা কে কেন্দ্র করে তৃণমূল নেতা দের ডেকে পাঠানোতে চাপ বাড়ল তৃণমূলের।