ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে বামেরা খুললো পার্টি অফিস।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ বঙ্গে ২০১৯ লোকসভা ভোটে একটিও আসন পায়নি বামেরা তবুও হাল ছাড়তে না রাজ তারা।একের পর এক নিজেদের পুরোনো পার্টি অফিস খুলছে তারা।ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত ছোঁয়া কুকুরজান গ্রাম পঞ্চায়েতের ভাঙামালি দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের সাক্ষী। জমির আন্দোলন, কৃষক আন্দোলন, খেতমজুরদের আন্দোলন, চা বাগানের চা শ্রমিকদের লড়াই সহ অতীতের এই বিস্তীর্ণ এলাকা লাল দুর্গ বলে সুপরিচিত ছিল।

বিধানসভা ২০১১ এ রাজ্যে রাজনৈতিক পালা বদলের পর থেকেই এই গ্রামীণ এলাকায় তৃণমূলীদের দাপট বাড়তে থাকে। ভয় দেখিয়ে, মিথ্যা! মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়ে সিপিআই(এম)’র নেতা কর্মীদের ঘর ছাড়া করে তৃণমূলীরা। এলাকায় গরিব মানুষের অর্জিত অধিকার কেড়ে নেওয়া, জমির দখল নেওয়া থেকে শুরু করে ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা, আগুন লাগানো, রক্ত ঝরাতে শুরু করে তৃণমূলীরা।

এই আক্রমণ সারা রাজ্যে চলে। সেই সময় অনেক বামেদের কেন্দ্রীয় পার্টি অফিস পুড়িয়ে দেওয়া হয় এবং অনেক দখল করে নিয়ে নেয় রাজ্যের তৃণমূল। গতকাল ও আজ মিলে এলাকার বাসিন্দাদের সহযোগিতায় পার্টি দপ্তর সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়। এই দপ্তরে ফের উড়ল রক্ত পতাকা।পার্টির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক সলিল আচার্য এদিন রক্ত পতাকা উত্তোলন করে এই দপ্তর ফের চালু করার সূচনা করেন।অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্টি নেতা মোক্তাল হোসেন, রীনা সরকার, কৌশিক ভট্টাচার্য, প্রাক্তন সাংসদ মহেন্দ্র রায়।ছিলেন একাধিক সাধারণ মানুষ। এক বাম নেতার কথায় " সাধারণ মানুষ এর উৎসাহে এবং কর্মীদের দ্বারা আমরা এই অফিস খুলেছি।মানুষ আমাদেরই ভরসা করছে এখন"।