বিজেপিতে আদি ও নব্য দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে।

১০ দিক ২৪ ব্যুরো : বিজেপিতে শুরু আদি ও নব্য দ্বন্দ্ব।ভালো ফল হতেই শুরু আদি ও নব্য দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে বিজেপিতে। চিন্তন বৈঠকের আগে যা অস্বস্তি চলে এল প্রকাশ্যে।সূত্রে খবর , ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের রণকৌশল কী? কীভাবে শাসক দলের দুর্গে আঘাত হানা হবে? তা নিয়েই দুর্গাপুরে শুরু হয়েছে ২ দিনের চিন্তন শিবির। কিন্তু  বিতর্ক আদি ও নব্য নিয়ে।

২ দিনের চিন্তন শিবিরে  ৩৭ জনের যোগদানের কথা ছিল।পরে দিল্লির নির্দেশে রাজু বিস্ত, সৌমিত্র খাঁ, ভারতী ঘোষ ও মাফুজা খাতুনকে সামিল করা হয়। উল্টো হয়েছে অথচ বাদ গিয়েছেন রাজ্য কমিটির পদাধিকারীরাই।বিক্ষুব্ধরা  বলছেন, ভারতী ঘোষ, সৌমিত্র খাঁ তো লোকসভা ভোটের আগে দলে এসেছেন।আরো দাবি ভারতী ঘোষ তো এই সেদিনও বিজেপি কর্মীদের মারধর করতেন।রাজু বিস্ত তো বিজেপির সদস্যই ছিলেন না।তাদের অনেকেই বলছেন তাঁরা ডাক পেলেন অথচ দীর্ঘদিন তিলে তিলে যাঁরা বাংলায় দলটা গড়লেন, তাঁদের উপেক্ষা করলেন রাজ্য নেতারা।

 বিজেপির আদি-নব্য বিজেপির দ্বন্দ্ব কার্যত স্বীকার   করে নিয়েছেন  দিলীপ ঘোষ বলেন, '৪২টি কেন্দ্রে ৪২জন প্রার্থী ছিল।দল যাঁদের প্রয়োজন মনে করেছে, তাঁদের ডাকা হয়েছে।দরকারে সকলের মতামতই নেওয়া হবে।'লোকসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির কারণ হিসেবে উঠে এসেছে, দলের অন্দরে আদি ও নব্য তৃণমূলীদের লড়াই।অনেকেই  বলেন তৃণমূলের খারাপ ফলের কারণ হলো গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে।বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের দণ্ডের জন্য ফল খারাপ।লোকসভায় বিজেপি ভালো আসন পেয়েছে।কিন্তু এইভাবে আদি ও নব্য দণ্ড হলে তা হলে পরবর্তীকালে খারাপ হবে দলে মত বিশেষজ্ঞদের।