জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেকারে যাতায়াত,পুলিশ প্রশাসন নির্বিকার।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ  প্রতিদিন প্রায় ঘটেই চলছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।অবশ্য প্রাণ ও হারাচ্ছে অনেকেই।কিন্তু কে শোনে কার কথা।কেউ ট্রেকারে উঠে মোবাইলে সেল্ফি তুলতে ব্যস্ত আবার কেউ প্রকৃতির হওয়া খেয়ে ঝুলে যেতে অভ্যস্ত।তবু বন্ধ হয়নি ট্রেকারের পিছনে সাইডে ওপরে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত। যেমন মোটরবাইকে বিনা হেলমেট ছাড়াই পথ চলছে ,তেমনি সাইডের পাদানিতেও ছাদে বাদুড়ঝোলা মত ঝুলে বিপজ্জনকভাবে যাতায়াত করছে নিত্যযাত্রীরা।

এমনই ছবি ঘরা পড়লো পূর্ব মেদিনীপুর এগরা,পটাশপুর, ভগবানপুর ভূপতিনগর ,রামনগর, সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। প্রতিদিন পুলিশ স্টেশনের সামনে- এক কথায় বলতে গেলে পুলিশের নাকের ডগা দিয়ে ট্রেকারের সাইডেও ছাদে যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করছে ট্রেকার চালকরা। এর ফলে নিত্যদিন ঘটেই চলছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। কিন্তু কোনভাবেই পুলিশ প্রশাসন বন্ধ করছে না ট্রেকারে ঝোলা ।


প্রত্যেকদিন অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে রুটে ট্রেকার চলছে। এগরা থানার সামনে দিয়ে সাইডে, ছাদে, পেছনে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করছে। থানার সামনে চলছে টেকারের সাইডে ওঠানামা। এমন কি স্কুল কলেজের স্টুডেন্ট দেরও এইভাবে সাইডে ঝুলিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সব জেনে দেখে ও পুলিশ নির্বিকার এবং মুখে কুলুপ লাগিয়েছেন। এই বিষয় নিয়ে আমরা এগরা থানার ওসি অমিয়কুমার ঘোষের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ওঠান নি এবং ফোনটি ব্যস্ত করে দেন।পুলিশ প্রশাসন এসব চোখের সামনে দেখেও কেন নির্বিকার ? কেনই বা নিজেদের দায়িত্ব থেকে এড়িয়ে যাচ্ছেন।অবশ্য তার কোনো সদুত্তর মেলেনি।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি জানান,'এই সব প্রতিদিন ঘটেই চলছে ।থানার সামনে দিয়ে এই ভাবেই ট্রেকারে ঝুলে যাতায়াত।পুলিশ সব দেখে কিন্তু কি কোনো গুরুত্ব দেয় না।মাঝে মধ্যে মনে হয় এই সব ট্রেকার চালকদের সাথে পুলিশ মামুদের একটা মিষ্টি দেওয়া নেওয়ার সম্পর্ক রয়েছে'। এত দুর্ঘটনা ঘটছে কিন্তু এগরা থানার পুলিশ প্রশাসনের কোনো নজর বিন্দু মাত্র নেই এই বিষয়ে।