দিদি-মোদি স্পষ্ট বন্ধুত্ব। হিম্মত থাকলে কোর্টে আসুন,আমি টুইট ডিলিট করছি নাহ।-সুজন।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ কিছু দিন আগে, কলকাতা এয়ারপোর্ট ২ কেজি সোনা নিয়ে ধরা পড়েছিলেন এক মহিলা। ব্যাংকক থেকে কলকাতা আসছিলেন তিনি। তার কাছ থেকেই পাওয়া যায় এই সোনা। প্রয়জনের অতিরিক্ত প্রায় ২ কেজির কাছে সোনা ছিল তার কাছে। যদিও যখন আধিকারিক রা তার কাছে এই সোনার বিল চায় তখন তা দেখাতে পারেন নি ওই মহিলা। এত সোনা আনা হচ্ছিল হাত ব্যাগে করে। এয়ারপোর্টে অন্যান্য ব্যাগ যেখানে চেক করা হয় সেখানে না দিয়ে, হাতে ই রাখা হয়েছিল এই সোনা, যাতে তা পর্যবেক্ষণ ছাড়াই অনায়াসেই নিয়ে আসতে পারে ওই মহিলা।

কাস্টমস অফিসাররা যখন তাকে আটকায়, তখন মহিলা বলেন। আইনের কাগজ পরে দিয়ে দেওয়া হবে। এর পরে ও বিল চায় অফিসাররা। তখন ই ওই মহিলা ফোন বের করে ফোন করেন তার স্বামী কে। জানা যায় এর পরেই, বিনা কারণে ওই মহিলা কে আটকে রাখার জন্য, রাজ্য সরকার তার বিশেষ আধিকারিক দের হুকুম দেয় কাস্টমস এর অফিসার দের বিরুদ্ধে কেস করতে। এর পরেই বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছে যায় এয়ারপোর্টে। যেখানে রাজ্য পুলিশ বনাম CBI এর মত অবস্থার পরিস্থিতি হয়। এর পরে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেই সমস্যার সমাধানে আসেন তারা।

জানা যায়, এই মহিলা আসলে তৃণমূল নেতা অভিষেক ব্যানার্জীর স্ত্রী। এই ঘটনা নিয়ে নাম না করে একটি করেন সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। তার ভিত্তিতে তার কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি জানান, সঞ্জয় বসু বলে এক জন তাকে মানহানি করার জন্য তিন পাতার চিঠি পাঠিয়েছেন। সঞ্জয় বসুর তিনপাতার চিঠিতে স্পষ্ট হুমকির আভাস পেয়েছেন সুজন চক্রবর্তী। তার করা টুইট এর পরিপ্রেক্ষিতে চিঠি আসে, কি বলা ছিল চিঠিতে?

১.এরম কোনো মন্তব্য যেন তিনি আর নাহ করেন।
২.টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে টুইট ডিলিট করতে বলা হয়।
৩.এবং ৪৮ ঘন্টার মধ্যে টুইট প্রসঙ্গে ক্ষমা চাইতে বলা হয়।

 

 
I welcome the threat, in the name of defamation notice against me, by @avisekbanerjee, the nephew of @MamataOfficial. Let him move the court of law & wait to face the music. I accept the challenge of MP #Dimondharbour. pic.twitter.com/1vijmL6qyj

— Dr.Sujan Chakraborty (@Sujan_Speak) March 24, 2019

 

 


সুজন চক্রবর্তী বিষয় ভিত্তিক প্রশ্ন করছেন কেন বাক স্বাধীনতা থাকবে নাহ?
কেন এই ভাবে টুইট ডিলিট করতে বলা হবে?
তিনি প্রশ্ন করেন এরম ঘটনা যদি নাই ঘটে তবে কেন এত গাত্র দাহ? কেন কাস্টম-পুলিশ বৈঠক চলল?

প্রশ্ন সঠিক নাহ ভুল তা সাধারন মানুষ কে বেছে নিতে হবে, আমাদের প্রশ্ন তুলে দেওয়া দায়িত্ব তাই আমরা তুলে ধরছি। তিনি এই বিষয়ে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন অভিষেকের দিকে। তিনি বলেন, হিম্মত থাকলে অভিষেক কোর্টে আসুক। কাঁদিয়ে ছেড়ে দেব। এখন ও এই নিয়ে তৃণমূল কোন মন্তব্য করেনি। দেখুন সুজন বাবু কি বললেন