নেতাদের অভিনয় করার ক্ষমতা অভিনেতাদের থেকে বেশি : মদন মিত্র

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ এখন ট্রেন্ডই হল অভিনেতা থেকে নেতা হওয়ার।এই রাজ্যের বেশ কয়েকজন অভিনেতা-অভিনেত্রীও নেমে পড়েছেন রাজনীতিতে।আর বেশ কিছুজন এখন পরীক্ষার সামনে।কিন্তু এবার হল এর উল্টোটা। এবার নেতা থেকে অভিনেতা হওয়ার পথে শাসকদলের নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্রর নাম।

বয়স হলেও চেহারা ধরে রেখেছেন। বরাবরই পরিপাটি হয়ে থাকতেই ভালবাসেন মদন মিত্র।সবসময় পরে থাকে সুন্দর রুচিশীল পোশাক।পায়ে থাকে রুচিসম্মত জুতো জোড়াও।তাঁর জেলের জীবন ও অসুস্থতাও তাঁর শরীরে বিন্দুমাত্রও প্রভাব ফেলেনি।ভোট প্রচারে ব্যস্ত থাকাকালীন সময়তেও তিনি নিয়মিত ভাবেই শরীরের যত্ন নেন। আর তার জন্যই বোধ হয় রুপোলি পর্দার এই ডাক পেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের এই বর্ষীয়ান নেতা।তাঁর কাছে সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব এসেছে। সেই প্রস্তাব তিনি এখনও ফেরাননি ।

মদন মিত্র জানান, জনৈক সিনেমা প্রযোজক তাঁর পরবর্তী ছবিতে এক চরিত্রে মদন মিত্রকে পছন্দ করেছেন।তিনি বলেন, "একটি সার্ভেতে দেখা যাচ্ছে অভিনেতার থেকে নেতাদের অভিনয় করার ক্ষমতা বেশি। জয়াপ্রদা,শত্রুঘ্ন সিনহা, হেমা মালিনী অভিনেতা থেকে নেতা হয়েছেন।আর উলটো দিকে আমার কাছে সিনেমার প্রস্তাব এসেছে।আমি নিমরাজি।কিন্তু অভিনয় করলেও আমি আর যাই করি দাদু খাই,নাতি খাই করতে পারব না।এখনও যদি বসু পরিবার হতে পারে তাহলে আরও অনেক পরিবারই হতে পারে।আমাকে কখন সিনেমায় দেখতে পাবেন, তা জগন্নাথের উপর নির্ভর করছে।ব্যাপারটাই হবে জয় জগন্নাথ।আমার ইতিমধ্যেই প্রসেনজিতের সিনেমায় হাতেখড়ি হয়ে গেছে।মৃত সৈনিকের মতো অভিনয় করেছি।কিন্তু সত্যিকারের অভিনয় করলে খারাপ হয় না।করার ইচ্ছা আছে।খুব তাড়াতাড়ি হবে।সিনেমার ভূমিকা যদি ইকনমিক্সের মতো হয় তাহলে লোকে নেবে না।আবার এই বয়সে ডিজে করতে গেলে কোমর ভেঙে যাবে"।