পেটের আগুন কে হার মানিয়ে, চেতনার মশাল জ্বালিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন আরও একজন।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ সোমাশ্রী, রিয়াজের পর আরেক জন ছাত্রী ভর্তি হলেন হাসপাতালে। দীর্ঘ ৮৬ ঘণ্টা ধরে চলছে ছাত্র দের এই অনশন। জানা যাচ্ছে ছাত্রীর নাম ঊষশী পাল। তিনি আফসুর সহকারী সাধারণ সম্পাদক।

কয়েক দিন ধরে সরকারের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে পেটের জ্বালা কে হার মানিয়ে লড়াই করছে ছাত্ররা। প্রতিটা ঘণ্টায় যত দুর্বল হচ্ছে তাদের শরীর ততই বাড়ছে জেদ। কিন্তু পাথরের মত নির্বিকার সরকার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তারা। তাদের পক্ষ থেকে এখনও কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

শুধু বাংলার নয় ভারতের বুকে এগিয়ে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় গুলির মধ্যে যাদবপুর অন্যতম। শুধু পড়াশুনায় নয় তার প্রতিবাদী ভাব ধারা ফাটল ধরিয়েছে অনেক বড় বড় প্রাচীরের। এর আগে ও "হোক কলরব" এর স্লোগানে কেঁপেছিল যাদবপুর। সেই সময় পুলিশের অত্যাচারের সামনে ছাত্র দের দীপ্ত স্লোগান ছিল "লাঠির মুখে গানের সুর, দেখিয়ে দিল যাদবপুর।"

 

পড়ুনঃ খিদের কাছে জেদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে, যাদবপুরের পর মেডিকেলের ছাত্ররা বসলো অনশনে।


সেই একই ধারায় চলছে এবারের আন্দোলনও, যেখানে ছাত্র দের পাশে দাঁড়িয়েছেন অনেক বাম নেতারাও। বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী নিজে এক জন যাদবপুরের প্রাক্তনি হিসেবে সরকারের এই মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতীবাদ জানিয়ে গতকাল ছুটে যান রাজ্যপালের কাছে। কিন্তু এখন ও পর্যন্ত কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

ছাত্ররা কি পারবে, পাথর ফাটিয়ে বিপ্লবের স্পন্দন নিয়ে নয়নতারার স্বপ্ন নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়াতে? না কি সরকার তার প্রশাষন কে নামিয়ে উচ্ছেদ করবে ছাত্রদের আন্দোলন। তবে ছাত্ররা পেটের খিদের আগুন কে শপথে পরিণত করেই পথ চলছে। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ছাত্ররা মিছিল করে যাবে যাদবপুর থানায়। সরকার এর কঠোরতার সামনে শিরদাঁড়া টান টান করে লড়ে যাবার শেষ হাসি কারা হাসবে এখন সেদিকেই তাকিয়ে ছাত্র সমাজ।

 

 

পড়ুনঃ "সরকার সিঙ্গুর তাড়িয়ে কলেজে তোলাবাজি শিল্প তৈরি করেছে।" প্রাক্তন ছাত্র নেতা সুজনের হুংকার।