এখন ই তৃণমূলে যোগ দিলে আইনী জটিলতায় ফাঁসবে ঋতব্রত।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ  বামেরা বিশ্বাস হারালেও, মমতা ব্যানার্জি বিশ্বাস রেখেছেন সিপিএমের বহিষ্কৃত সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপরে। আদিবাসী উন্নয়নের রূপরেখা ঠিক করতে একটি কমিটি গঠন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কমিটিরই চেয়ারম্যান হিসেবে ঋতব্রতকে নিযুক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই।

বিলাসবহুল জীবনযাপনে অভ্যস্ত এই সাংসদ যে ভবিষ্যতে একসময়ের ঘোর বিরোধী তৃণমূলে যোগদান করতে চলেছেন তা নিয়ে গুঞ্জন রটছিলোই। নানান সময় ঋতব্রতর করা ট্যুইট সেই ধারণা কে আরও স্পষ্ট করে। বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রীর পদক্ষেপ যে এই গুঞ্জনের ভিত আরও শক্ত করলো তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

তবে আগামী ২১ শে জুলাই কি তৃণমূলে যোগ দেবেন ঋতব্রত? এই নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। বিশ্লেষকরা বলছেন যেহেতু ঋতব্রত মানুষের ভোটে জিতে রাজ্য সভার সাংসদ হননি সেহেতু তার এখন অন্য দলে যাবার সুযোগ নেই। অন্য দলে গেলেই তার সাংসদ পদ খারিজ হয়ে যেতে পারে।

১৯৯৬ সালের আইন অনুযায়ী, সংসদে পার্টির হুইপ না মানলে তাঁর সাংসদ পদ খারিজ হয়ে যাবে। যেহেতু সিপিএম এর বলে বলীয়ান হয়ে তিনি রাজ্য সভার সদস্য হয়েছেন তাই দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী, কেউ হুইপ না মানলে তাঁর সাংসদ পদ খারিজ হয়ে যায়। এর কারণেই প্রকাশ্যে কোন দলের সদস্য পদ তিনি ইচ্ছে করলেও নিতে পারছেন না।

তবে ২১ শে জুলাই মঞ্চে থাকতে পারেন তিনি। এছাড়া ঋতব্রতকে আদিবাসী উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান করার পর থেকেই ফেসবুকে তার পুরনো অশ্লীল ভিডিও ঘুরতে থাকে। এবার এই মুহূর্তে তৃণমূলে গেলে এই কালি তৃণমূলের ও লাগবে।  তাই এখনই ইচ্ছে থাকলেও ঋতব্রতর তৃণমূলে যোগদান দেওয়া হচ্ছে না।

 

পড়ুনঃ দূর্বা কে হন ঋতব্রতর? জেনে নিন।