ঋতব্রত কে শহীদ মঞ্চে দেখে কি অখুশি অনেক বর্ষীয়ান নেতা ?

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ বিগত সাত বছরে ২১শে জুলাই দিনটি দল পাল্টানোর জন্য বিখ্যাত হয়ে উঠেছে বঙ্গ রাজনীতিতে। এদিন ছোটো বড়ো প্রায় সব দলেরই বেশকিছু নেতা কর্মী দলবদল করে তৃণমূলে যোগদান করেন। এবারও তার অন্যথা হয়নি।

এবারের ২১শে জুলাই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএমের বহিস্কৃত সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও তা প্রত্যাশিতই ছিল। হাসিমুখে বসে থাকা ঋতব্রতের ছবি বেশ ভাইরালও হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া গুলিতে। তবে এই ঋতব্রতর উপস্থিতি ঘিরে বেশ ক্ষোভ ছড়িয়েছে তৃণমূলের অন্দরেই। শুধুমাত্র কর্মীরাই নন, পুরোনো তৃণমূলী ও দলের হেভিওয়েট অনেক নেতাই মানতে পারেননি ২১শে জুলাই মঞ্চে ঋতব্রতর উপস্থিতি।

২০১৩ সালে দিল্লীতে এসএফআই এর নেতা থাকার সময় এই ঋতব্রতর হাতেই লাঞ্ছিত হতে হয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রকে। ঋতব্রতর বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীকে খুনের চেষ্টার অভিযোগও ওঠে। সেইসময় এর প্রতিবাদে রাজ্যে ঝড় তোলে তৃণমূল। কিন্তু বর্তমানে সেই ঘটনার প্রধান অভিযুক্তের সাথেই মঞ্চ ভাগ করতে হচ্ছে বলে বেজায় ক্ষুব্ধ দলেরই একাংশ। সরাসরি তাকে মঞ্চে ঠাঁই দেওয়া নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। তৎকালীন তৃণমূলের ছাত্রনেতা শঙ্কুদেব পন্ডা, আমণ্ত্রণ পেয়েও ঋতব্রতর সাথে এক মঞ্চে বসবেননা বলে মঞ্চেও ওঠেননি। তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাস "আপসেট, নো কমেন্টস, শঙ্কু" নিয়েও ছড়িয়েছে বিতর্ক।

জানা যাচ্ছে এই ক্ষোভের আঁচ পেয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। দলের নেতারা প্রশ্ন তুলছেন বিরোধী দল সিপিএম থেকে বহিস্কৃত একজন যার বিরুদ্ধে সিআইডি তদন্ত চলছে তাকে সরাসরি মঞ্চে বসানোর কী খুব প্রয়োজন ছিল? এখন দেখার দলের ভিতর তৈরী হওয়া এই ক্ষোভ কে কী ভাবে সামাল দেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

 

পড়ুনঃ নেতা কেনা বেচা নয়, ভুল পথে হাঁটলে হতে হবে বহিষ্কার। কর্মীসভায় বার্তা সূর্য কান্তের।