Homeরাজ্যতৃণমূলে যোগ দিয়ে মোদীর বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বিজেপির হেভি ওয়েট নেতা।

তৃণমূলে যোগ দিয়ে মোদীর বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বিজেপির হেভি ওয়েট নেতা।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ লালকৃষ্ণ আডবাণীকে রাজনৈতিক গুরু হিসেবে মেনে রাজনীতিতে পথচলার শুরু করেন চন্দন বাবু। দ্যা পায়োনিয়র পত্রিকার সম্পাদকও ছিলেন তিনি। এরপর ২০০৩ সাল থেকে ২০০৯ পর্যন্ত রাজ্যসভায় মনোনীত সাংসদ ছিলেন তিনি। তার পরে ২০১০ সালের জুন মাসে বিজেপি তাঁকে মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভায় পাঠায়। ২০১৬ পর্যন্ত তিনি রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। বাংলাসহ বিভিন্ন রাজ্যে রাজনীতি করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। কিন্তু ২০১৮ সালের বিজেপির অভ্যন্তরেও এসেছে পরিবর্তন লালকৃষ্ণ আডবাণীর প্রভাব ক্রমশ ফিকে হয়েছে, এবং দলের অভ্যন্তরে বিকল্প শক্তি হিসেবে মোদী অমিত সাহা দের নাম ক্রমশ শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে। আর তার ফলেই হয়েছে বিপদ।

একাধিক ইস্যুতেই চন্দনের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে বিজেপির। গত মে মাসে উত্তরপ্রদেশের উপনির্বাচনে বিজেপি–র হারের পর পর দলের ওপর কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করেন চন্দন বাবু। সেই সময় তিনি জানান, আখ চাষিদের দিকে নজর না দিয়ে ভুল করেছে দলের নেতারা। তখন থেকেই বিজেপি এবং চন্দন এর সম্পর্কের মধ্যে ফাটল আরও স্পষ্ট হয়।

এর পরেই মমতার হাত ধরে গত ২১ শে জুলাই পা রেখেছেন চন্দন বাবু। এবার বিজেপির বিরুদ্ধে মুখ খুললেন চন্দন। তিনি সাংবাদিক দের জানান ” আডবানি অটলবিহারীর মত বিজেপি প্রাক্তন নেতৃত্ব দের সঙ্গে বর্তমান নেতৃত্বের অনেক নীতিগত ফারাক আছে।” বিজেপি ছাড়ার কারণ হিসেবে তিনি সাংবাদিকদের জানান, “সরকারে এসে একের পর এক জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই কারণে যে জনপ্রিয়তা নিয়ে তিনি সরকারি এসেছিলেন এই চার বছরে তা তলানীতে পৌঁছেছে। উপনির্বাচনে একের পর এক হার স্বীকার করতে হচ্ছে। উগ্র ধর্মান্ধতা বেড়ে গেছে। তাই ওই দলে থাকতে আর মন চাইলো না।” নতুন দল প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ” নতুন ঘর পেয়ে আমি খুশি। দলনেত্রী যে দায়িত্ব দেবেন তা পালন করব। বাংলার জন্য কিছু করার স্বপ্ন নিয়েই তৃণমূলে যোগ দিয়েছি। ” চন্দনের মত হেভিওয়েট নেতা পেয়ে খুশি তৃণমূল ও।

FOLLOW US ON:
মমতা কে
Rate This Article:
NO COMMENTS

Sorry, the comment form is closed at this time.