Homeরাজ্য“পুলিশ দিয়ে সিঙ্গুরের সামনের অবরোধ তুলে দেওয়া উচিত ছিল।” বিস্ফোরক গৌতম দেব।

“পুলিশ দিয়ে সিঙ্গুরের সামনের অবরোধ তুলে দেওয়া উচিত ছিল।” বিস্ফোরক গৌতম দেব।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ আর মাত্র দুদিন সিপিআই(এম) এর সিঙ্গুর থেকে রাজভবন অভিযান কে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। সিঙ্গুর কে পাখির চোখ করে সামনের লোকসভা তে তৃণমূল কে বিঁধতে চাইছে বামেরা। আর এই সময় মুখ খুললেন, সিপিআই(এম) নেতা গৌতম দেব। গতকাল একটি চ্যানেল এসে নিজের মত তুলে ধরেছেন তিনি।

সিঙ্গুর কি ভুল ছিল? বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ছিল ? এই বিষয়ে একদিকে যেমন পার্টির দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন তিনি, ঠিক একই ভাবে ব্যক্তিগত মত ও রেখেছেন তিনি। তিনি সিঙ্গুর ইস্যু তে জানান,  “বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য একা একা পার্টিকে না জানিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। উনি যদি দোষী হন তাহলে দোষী পার্টিও। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি পুলিশ দিয়ে সিঙ্গুরের সামনের অবরোধ তুলে দেওয়া উচিত ছিল। কারখানার সামনে থেকে তুলে ডানকুনি পাঠানো উচিত ছিল। হাইকোর্ট তো বলেইছিল সরাও। দিনের পর দিন। পার্থবাবু আমার দপ্তরের ঘরে বসে থেকেছেন। চিঠি মুসাবিদা করেছি। আমি মমতাকে চিঠি লিখেছি। ফল হয়নি। সর্বনাশ হয়ে গেছে।”




এখানেই থেমে থাকেন নি দাপুটে বাম নেতা, তৃণমূলের ‘উন্নয়ন’ এবং বেকার প্রসঙ্গে পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দেন  “ল্যাম্পপোস্টে টুনি বাল্ব জ্বালানো নয়, সরকারের কাজ বেকারের চাকরি দেওয়া। দু’টাকা কিলো চাল যদি সব হতো তাহলে “শবরশোল” হল কেন?”

বামেরা কি রাজ্যের মাটিতে তৃণমূল কে সরাতে হাত মেলাতে পারে বিজেপির সঙ্গে? এর ও ব্যাখ্যা করেছেন বিচক্ষণ বাম নেতা, তাঁর মতে, “মমতাকে শাসনচ্যুত করতে বিজেপি-কে চুমু খেতে পারব না। পঞ্চায়েতে সিপিএম-বিজেপি জোট খারাপ ট্রেন্ড। বিজেপি অতি খতরনাক পার্টি। প্রতিযোগিতামূলক সাম্প্রদায়িকতা ভয়ঙ্কর। বিজেপি হিন্দু টানবে, তৃণমূল মুসলমান টানবে। এটা টিঁকবে না। মুসলমান মানুষের বাস্তবে কোনো উন্নয়ন হচ্ছে না।”




এছাড়া মমতার জনপ্রিয়তাকে কার্যত প্রশ্ন চিহ্নের সামনে তুলে দিয়েছেন গৌতম দেব, তিনি জানান, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি নিজের জনপ্রিয়তা সম্পর্কে এতই নিশ্চিত থাকতেন তাহলে শহরময় এত ছবি দিয়ে হোর্ডিং ছড়াতেন না । এতগুলো পৌরসভার ভোট আটকে রাখতেন না।” পার্টির ভুল সম্পর্কে ও মুখ খোলেন তিনি, পার্টি কে নন্দীগ্রাম নিয়ে ভুল বোঝান হয়েছিল বলে ও মন্তব্য করেছেন তিনি, তিনি জানান, “লক্ষ্মণ শেঠ নন্দীগ্রাম নিয়ে পার্টিকে ভুল বুঝিয়েছিলেন।”

আগামী ২৮ থেকে ২৯ তারিখ রাজ্যের বুকে এই প্রথম কৃষকরা, কৃষকের সমস্যার সঙ্গে সঙ্গে শিল্পের দাবিতে মিছিলে নামছে। আর এই সময়ে গৌতম দেবের মন্তব্য কে বাম কর্মীদের বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।




FOLLOW US ON:
Rate This Article:
NO COMMENTS

Sorry, the comment form is closed at this time.