আপনার ফোনের চার্জার টি নকল কিনা জেনে নিন। মারাত্মক ঝুঁকির হাত থেকে বাঁচুন।

প্রযুক্তি সেরা খবর

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ চারদিকে নকলের ছড়াছড়ি। আপানর ব্যবহৃত প্রোডাক্টটি আসল প্রোডাক্ট না নকল বোঝা কঠিন। বর্তমানে স্মার্টফোন শুধুমাত্র একটি বিনোদনের নয় অত্যন্ত প্রয়োজনীয় চাহিদার বস্তুতে পরিণত হয়েছে। কিন্তু, আপনি কি জানেন ফোনের ব্যবহৃত চার্জারটি নকল চার্জার হলে আপনার মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। এমন কি, মারাত্মক জীবনের ঝুঁকি ও রয়েছে নকল চার্জার ব্যবহারের। যেখানে, অনেক ক্ষেত্রে, বৈদ্যুতিক শক থেকে ফোনের ওভার হিটিং এর সমস্যা হতে পারে। আর এই ওভার হিটিং এর সমস্যার কারণে কিছু ক্ষেত্রে ফোন ফেটে জাবার সম্ভাবনা ও তৈরি হয়। তাই এখন ই জেনে নিন আপনার ব্যবহৃত চার্জার টি আসল না নকল।

কি ভাবে জানবেন, আপনার ব্যবহৃত চার্জার টি আসল না নকল?

১। স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী, পিনের আর চার্জারের মধ্যে অন্তত ৯.৫ মিলিমিটার জায়গা থাকতে হবে। চার্জার সকেট বা মাল্টিপ্লাগের প্লাগের ঢোকানোর সময় যদি দেখেন আপনার চার্জারটি ঢুকছে না, তাহলে ধরে নেবেন আপনার চার্জারটি নকল।




২। বাহিরে থেকে চার্জার কিনলে, ব্র্যান্ডের নাম বা লোগো, মডেল, ব্যাচ নম্বর চেক করে নেবেন যে সেটি আসল কিনা।

৩। Samsung এর চার্জারের ক্ষেত্রে, , A+ এবং Made in China লেখা থাকলে বুঝবেন চার্জার টি নকল।

৪। আপনি যদি OnePlus ব্যবহারকারী হন, তাহলে আপনার কাছে চার্জার আসল না নকল বোঝা সোজা। ড্যাশ চার্জার দিয়ে ফোনটি চার্জ করতে গেলে যদি দেখেন ফোনে ফ্ল্যাশ জ্বলে উঠেছে তাহলে বুঝবেন চার্জার টি আসল। যদি দেখেন, ফ্ল্যাশ না জ্বলে শুধু চার্জিংয়ের সিগন্যালটি দেখাচ্ছে তাহলে বুঝবেন চার্জার টি নকল।

৫। Google pixel এর ক্ষেত্রে, আপনার চার্জারটি যদি ফোনটি সম্পূর্ণ চার্জ করতে অনেক সময় লাগায়, তাহলে বুঝে যাবেন ফোনটির চার্জারটি নকল।

৬। Xiaomi ব্যবহারকারী দের চার্জার নকল কিনা জানার জন্য দুটি বিষয় দেখতে হবে। যদি দেখেন, চার্জারের কেবেল টি ১২০ সেন্টিমিটারের চেয়ে কম এবং অ্যাডাপ্টরটি তুলনামূলক বড় হয় তাহলে সেটি আসল চার্জার নয়।




৭। নকল চার্জার দিয়ে দিনে ২-৩ বার চার্জ দিলেই খুব দ্রুত তা গরম হয়ে যায়। আসল চার্জারের ক্ষেত্রে দ্রুত গরম হবে না।