রাজ্যের ভোট পরিস্থিতি কোন দিকে। লিখলেন নিগান্ত নটপুত্র।

কিছু কথা রাজ্য সেরা খবর

লিখলেন নিগান্ত নটপুত্রঃ লোকসভা নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি ঘোষণা হলেও তৃণমূল-বিজেপি কোন দলই যে তার তোয়াক্কা করেনা তা আবার সামনে এল। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী কোন সরকারি প্রকল্পের প্রচারকে কেন্দ্র করে শাসক দলের প্রচারের ব্যাপারে চূড়ান্ত নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তোয়াক্কা করছেনা তৃণমূল। পাতাজোড়া বিজ্ঞাপন হোল্ডিং তার প্রমাণ।

অন্যদিকে সার্জিকাল স্ট্রাইক থেকে তিনতালাক ইস্যু সবরিমালা কোনো কিছুকেই প্রচারের কেন্দ্র থেকে বাদ রাখছেনা বিজেপি। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিজেপি কর্মী জানান, একমাত্র রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা করে তৃণমূল সরকারকে উচ্ছেদ করলে তবেই রাজ্যে বামফ্রন্ট সরকার প্রতিষ্ঠা হতে পারে।

স্পষ্টভাবেই বাম ভোটে থাবা বসাতেই যে এই প্রচার তা বলা বাহুল্য। যদিও এসব কিছুর ফাঁকে হিন্দু অস্মিতা ও হিন্দু রাষ্ট্র রাম মন্দির সবকিছু নিয়ে উগ্র সাম্প্রদায়িক বাতাবরণ ছড়াতে কসুর করছে না দল। যদিও এই কর্মী স্বীকার করেন মিডিয়া মিথ্যা বলছে এবং আঙুল ফুলিয়ে কলাগাছ দেখাচ্ছে। তৃণমূলের দূর্নীতিগ্রস্থ সাংসদ ও কর্মীরা যে দলের সম্পদ তা স্বীকার করে নিয়েছেন। যদিও প্রার্থী-পদ ঘোষণা কবে হবে? বা বালাকোটে কতজন সন্ত্রাসবাদী মারা গেলো এ প্রসঙ্গ সুচতুর ভাবে এড়িয়ে গেলেন কর্মীরা। তবে দলের অন্দরে তৃণমূল থেকে আসা দূর্নীতিগ্রস্থ নেতাদের আপন করা নিয়ে যে তীব্র দ্বন্দ্ব রয়েছে তা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন।

অন্যদিকে তৃণমূলও যে সাম্প্রদায়িক বাতাবরণ কে ঢাল করে ভোটবৈতরনী পার করতে চাইছেন তার প্রমাণ রায়গঞ্জে মহঃ সেলিমের বিরুদ্ধে তৃণমূলের ঘোষিত প্রার্থী। এই সমস্ত ঘটনায় আবার বামফ্রন্টের অভিযোগই প্রমাণ হল রুটি রুজির লড়াইকে গুলিয়ে দিতেই মানুষের আন্দোলনকে দূর্বল করতেই দুই দল মিলে সাম্প্রদায়িকতার তাস খেলছে। তাই তারা একে অপরের বিরুদ্ধে জোরালো প্রার্থী ঘোষণা করেনি। (লেখকের মত সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত)