Homeরাজ্যহুগলীতে প্রচারে ঝড় তুললেন বাম প্রার্থী প্রদীপ সাহা।

হুগলীতে প্রচারে ঝড় তুললেন বাম প্রার্থী প্রদীপ সাহা।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ ২০১৯ লোকসভা ভোটে প্রচার চলছে সব জায়গায়। সব দলই আদা জল খেয়ে নেমে পড়েছে। অনেক প্রার্থীই বিভিন্ন ভাবে প্রচার করছে।অনেক আবার নিজের মায়ের আত্মার শান্তি কামনা করে প্রচার ভোট আদায় এর চেষ্টা করছে।মানুষের মন জিততে মুড়িমাখা খেয়েই চলছে প্রচার। পথে-প্রচারে বেরিয়ে শাসক-বিরোধী নির্বিশেষে রাজনৈতিক কর্মীরা মুড়িতেই ভরসা রাখছেন।

মুড়ি খেয়ে পান্ডুয়ায় প্রচার বাম প্রার্থীর। লাল রঙের পানামা হ্যাটটা মাথা থেকে খুলে চোখে মুখে জল ছিটিয়ে নিলেন সিপিএম প্রার্থী প্রদীপ সাহা। তার পরে বসে পড়লেন মাটিতে। মাঝখানে খবরের কাগজ বিছিয়ে মুড়ি-চানাচুর ছড়িয়ে দিলেন গেরস্থ-গিন্নি। কাঁচালঙ্কা-পেঁয়াজ মেখে তা শেষ করতে করতেই পান্ডুয়ার বেড়ুইগ্রামের এলাকার সমস্যা নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হল। এ ব্যাপারটাযেন ঘরের ছেলের মতো। সকালের জলখাবার থেকে সন্ধ্যার হালকা টিফিন‌, রকের আড্ডা থকে সাহিত্যের আসর বা খেলা নিয়ে আলোচনা মুড়ির জুড়ি নেই।

রাজনীতির ময়দানেও তার কদর কম নয়। পথে-প্রচারে বেরিয়ে শাসক-বিরোধী নির্বিশেষে রাজনৈতিক কর্মীরা মুড়িতেই ভরসা রাখছেন।যে দাওয়ায় বসে প্রদীপ বাবু, বিধায়ক আমজাদ হোসেনরা মুড়ি-আড্ডায় মেতেছিলেন, সেই বাড়ির মালিক মায়া সিংহ বলেন, ‘‘এখানে মুড়ির চল। আড্ডা হলেই মুড়ি চাই। সবাই মিলে এক জায়গা থেকে মুড়ি খাওয়ার আনন্দই আলাদা।’’

সিপিএম নেতাদের বক্তব্য, এটা প্রচারের চমক নয়। এটা বাম জমানাতেও হতো , আর এখনো চলছে। রোজই সকাল-সন্ধ্যায় মুড়ি চলে। জেলা সিপিএম সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ বলেন, ‘‘কম খরচে মুড়িতে পেট ভরে। কথাও সারা যায়। আমরা তাই মুড়ি পছন্দ করি। পার্টি অফিসেও সকাল-সন্ধ্যা মুড়ি খাওয়ার চল।”


অন্যান্য দল মুখে যতই বলুক তারা মুড়ি পছন্দ করেন কাজে অবশ্য সেরকম দেখা যাচ্ছে না। অনেক চিকিৎসক আবার মুড়িকে দরাজ সার্টিফিকেট দিচ্ছেন। তাঁরা বলছেন, মুড়িতে কার্বোহাইড্রেট থাকে। তার সঙ্গে প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন‌ এবং মিনারেলের সংযোজন জরুরি। তার সঙ্গে জল। আবার অনেকের মতে মুড়ির সঙ্গে ছোলা হলে আরো ভালো হয়। বর্তমান রাজনীতির প্রচারে নকুলদানার থেকে মুড়িই একটু বেশিই এগিয়ে থাকছে।

FOLLOW US ON:
Rate This Article:
NO COMMENTS

LEAVE A COMMENT