মমতা কে প্রধানমন্ত্রী, “সংবাদ প্রতিদিনের” মনগড়া খবরের প্রতিবাদ জানালো বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি।

প্রচ্ছেদ বিদেশ শিরোনাম

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ এবার সংবাদ প্রতিদিনের দিকে ভুয়ো খবর পরিবেশন নিয়ে আঙ্গুল উঠল। আজ সংবাদ প্রতিদিনের ১০ নং পাতায় একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়, আর সেই প্রতিবেদন প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রতিবাদ জানানো হল বাংলাদেশ থেকে। আজ সংবাদ প্রতিদিনে একটি প্রতিবেদনে লেখা হয়, “দুই দেশের স্বার্থে মমতা কে প্রধানমন্ত্রী চান বাংলাদেশ কমিউনিস্ট নেতাও।” কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই প্রতিবেদন এর প্রতিবাদ জানানো হল,  বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে।

প্রসঙ্গত কিছু দিন আগে, সংবাদ প্রতিদিনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এবং গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাসেদ খান মেমনের একটি সাক্ষাতকার নেওয়া হয়। এবং তার পরে আজ সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে লেখা হয়,  “কলকাতার বাম নেতারা শুনলে একটু কষ্ট পেতে পারেন। সেই রাশেদ খান ই বলছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় খুবই ক্যারিশমাটিক জননেত্রী। সাধারণ মানুষ খুব পছন্দ করেন, বাংলাদেশের মানুষও ওকে খুবই শ্রদ্ধা করেন ভালোবাসেন। ঢাকায় যখন এসেছিলেন তখন দেখা হয়েছিল কথা ও হয়েছে। আমার জন্য উপহার নিয়ে এসেছিলেন। মমতার ব্যবহার ও আচরণ আমাদের সবাইকে খুবই মুগ্ধ করেছে আপন করেছে। … শুনেছি মমতা নাকি প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। হলে খুব ভালোই হবে। দুই দেশেই দুজন বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হবেন। মমতার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে। উনি দায়িত্বে এলে দুই দেশের সম্পর্ক আরো মধুর হবে।”




এই খবর পরিবেশন হতেই, এর প্রতিবাদ জানান  বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এবং গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাসেদ খান মেমন। বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে, কলকাতার সংবাদ প্রতিদিন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রেস বিবৃতি দেওয়া হয়। সেখানে লেখা হয়, ” কমরেড মেনন এর বরাতে যেসব বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে, তা সর্বৈব মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া।” এই প্রসঙ্গে রাশেদ খান মেনন বলেছেন, সংবাদ প্রতিদিনের সাংবাদিক কৃষ্ণকুমার দাস তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন, মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত পরিচয় আছে কি না? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান তার সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিচয় নেই, তবে বাংলাদেশ যখন তিনি এসেছিলেন সবার জন্যই উপহার এনেছিলেন। এবং এটি বাদ দিয়ে কোনরকম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রিক প্রশ্ন করা তাকে হয়নি।




এই ঘটনা স্বাভাবিক ভাবেই সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদন কে প্রশ্ন চিহ্নের মুখে ফেল দিল বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।