ট্রেন চালিয়ে যাবার জন্য সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছিল চালক কে। বিস্ফোরকস্বীকারোক্তি।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ গতকাল, সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় অমৃতসর এবং মানেওয়ালার মাঝখানে ২৭ নম্বর গেটের সামনে দশেরার অনুষ্ঠান দেখতে যাওয়া মানুষের দের দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়। স্থানীয় সাংবাদিক রভিন্দর সিং রবীন জানান, অমৃতসর শহরের জোরা ফটকের কাছে দশেরা উৎসবে রাবণের কুশপুত্তলিকা জ্বালানোর সময়েই দুর্ঘটনা ঘটে। রেললাইনের ধারে দাঁড়িয়ে যখন বহু মানুষ দশেরা উৎসব দেখছিলেন, সেই সময়েই ট্রেন সেখানে এসে পড়ে।

এই ঘটনায় প্রান হারিয়েছেন বহু মানুষ। ২০০ র ওপর মানুষ আহত হয়েছেন, এবং ৬১ জন মানুষের প্রান হারাবার খবর পাওয়া গেছে। এই দুর্ঘটনার পর থেকেই এই দুর্ঘটনার দায় কার তাই নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানতর। তবে এই নিয়ে এবার বিস্ফোরক দাবি করেছে ট্রেন চালক।




পঞ্জাব ও রেল পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে ট্রেনের চালক কে। সূত্রের খবর, ট্রেন চালক দাবি করেছেন যে তাঁকে সব ক্লিয়ার আছে জানিয়ে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছিল। ক্রিসিংয়ের কাছে রেললাইনের উপর শতাধিক মানুষ আছে বলে তাঁর কোনও ধারনাই ছিল না।

তবে এই নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে মানুষ। স্থানীয় মানুষের দাবি, প্রতি বছরই এই জায়গায় রাবণ পোড়ানো হয়। কিন্তু ওই সময়টায় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে, বা অতি ধীরে ট্রেন যায়। কিন্তু এবারে ট্রেনটি দ্রুতগতিতে চলে আসে। প্রধানমন্ত্রী মোদী নিহতের প্রত্যেককে দুই লাখ রূপি করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এর আগে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং নিহতদের পরিবারের জন্য ৫ লাখ রূপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দেন।




স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় দুর্ঘটনাটি ঘটে অমৃতসর এবং মানেওয়ালার মাঝখানে ২৭ নম্বর গেটের সামনে। স্থানীয় সাংবাদিক রভিন্দর সিং রবীন জানান, অমৃতসর শহরের জোরা ফটকের কাছে দশেরা উৎসবে রাবণের কুশপুত্তলিকা জ্বালানোর সময়েই দুর্ঘটনা ঘটে। রেললাইনের ধারে দাঁড়িয়ে যখন বহু মানুষ দশেরা উৎসব দেখছিলেন, সেই সময়েই ট্রেন সেখানে এসে পড়ে।