'বাংলা' তে বাধা বিজেপির। রাজ্যের নাম করণ নিয়ে হেলদোল নেই কেন্দ্রেরস্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ রাজ্যের নাম বাংলা হবার পক্ষে বাধা। প্রস্তাব পাঠাবার পরে তিনমাস কেটে গেলেও কোনো হেলদোল নেই কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের। তাই রাজ্যের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব আদৌ অনুমোদিত হবে কীনা তা নিয়ে বেশ চিন্তায় রাজ্য রাজনীতি মহল।

পশ্চিমবাংলার নাম পরিবর্তন করার কথা বহুদিন থেকেই আলোচিত হচ্ছিল। শেষমেশ এই বছরের ২৬শে জুলাই রাজ্যের নাম বাংলা হিন্দি ও ইংরাজি তিনটি ভাষাতেই 'বাংলা' রাখার প্রস্তাব পাশ হয়ে যায়। মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এই প্রস্তাব বিধানসভায় রাখলে তা বিনা বাধায় পাশ হয়। এমনকী এই বিষয় একমত প্রকাশ করেন সিপিআইএম ও কংগ্রেসের বিধায়করাও।




ফলে এই নাম কেই অনুমোদন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেসময় অনেকে বলেছিলেন এই নাম বাংলাদেশের সাথে গুলিয়ে যেতে পারে। সেসব কথাকে নস্যাৎ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান "বাংলার মাটি, বাংলার জল ঠিকই আছে। পাশে বাংলাদেশ তো একটা দেশ। আর রাজ্যের নাম বাংলা হলে অসুবিধে কোথায়? পাকিস্তানেও পাঞ্জাব আছে, আমাদের দেশেও পাঞ্জাব আছে।"

দেশে অবশ্য এমন নাম পরিবর্তন নতুন নয়। এর আগেও বহু রাজ্যের নাম পরিবর্তন হয়েছে। যেমন সংযুক্ত প্রদেশের নাম পরিবর্তন হয়ে হয়েছে উত্তর প্রদেশ, হায়দরাবাদের পরিবর্তে হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ, মধ্যভারতের নাম হয়েছে মধ্যপ্রদেশ, উত্তরাঞ্চলের পরিবর্তে হয়েছে উত্তরাখন্ড, উড়িষ্যার পরিবর্তে হয়েছে ওডিশা, ত্রিবাঙ্কুর-কোচিনের পরিবর্তে কেরালা, মাদ্রাজের পরিবর্তে তামিলনাড়ু এবং মহীশূরের পরিবর্তে হয়েছে কর্ণাটক রাজ্য।




কিন্তু তাহলে এই রাজ্যের ক্ষেত্রেই বা এমন টালবাহানা কেন। কেন্দ্রীয় সরকারেরই বা কেন সদিচ্ছার অভাব। সাধারণত পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাব সেভাবে নেই। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিজেপি বিরোধী জোটের অন্যতম মুখ। সেকারনেই কি এ রাজ্য নিয়ে এত টালবাহানা? প্রশ্ন উঠছে।