লোকসভার আগেই কেন্দ্রীয় সরকারের গলার কাঁটা হয়ে উঠছে, প্রধাণমন্ত্রীর বুলেট ট্রেনপ্রকল্প।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ একবছর আগে শিলান্যাস হয়ে গেছে প্রধাণমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প বুলেট ট্রেনের। কিন্তু তার কাজ এগোয়নি সিকি শতাংশও। নির্ধারিত সময় তো বটেই বর্ধিত সময়ও কাজ শেষ হবেনা বলে জানিয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি সংস্থা। তাই অন্যান্য নানা প্রতিশ্রুতির মতো বুলেট ট্রেনও যে কেন্দ্রীয় সরকারের গলার কাঁটা হয়ে উঠছে তা বলাই বাহুল্য।
১০দিক২৪ ব্যুরোঃ একবছর আগে শিলান্যাস হয়ে গেছে প্রধাণমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প বুলেট ট্রেনের। কিন্তু তার কাজ এগোয়নি সিকি শতাংশও। নির্ধারিত সময় তো বটেই বর্ধিত সময়ও কাজ শেষ হবেনা বলে জানিয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি সংস্থা। তাই অন্যান্য নানা প্রতিশ্রুতির মতো বুলেট ট্রেনও যে কেন্দ্রীয় সরকারের গলার কাঁটা হয়ে উঠছে তা বলাই বাহুল্য।




সমস্যা চলছে সব দিক থেকেই। একদিকে পর্যাপ্ত অর্থের অভাব তো আবার অন্যদিকে জমির অভাব। আর তাতেই টালমাটাল বুলেট ট্রেন। জানা গিয়েছে এই ট্রেন সংক্রান্ত মোট খরচ হবে ১লক্ষ ৬হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে ৮৬হাজার কোটি দেবে জাপান ইন্টার ন্যাশনাল কর্পোরেশন এজেন্সি, ১০হাজার কোটি দেবে ভারতীয় রেল। ও বাকী টাকা গুজরাট ও মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার ভাগাভাগি করে দেবে। কিন্তু বাস্তবে জাপান থেকে এসেছে মাত্র ৫হাজার কোটি টাকা। রেল বা দুই রাজ্য সরকার কোনো অর্থই দেননি। ঠিকাদার সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই কাজ শুরু করতে বিপুল অর্থ লাগবে। যা এখনো পাননি তারা।

চলছে জমি নিয়ে জটিলতাও। পুরো প্রকল্পটির জন্য জমির প্রয়োজন ১১হাজার ৪০০হেক্টর। কিন্তু একবছরে জমি অধিগ্রহন হয়েছে মাত্র 0.৯হেক্টর জমি। এর পিছনে অবশ্য আছেন মহারাষ্ট্রের গ্রামের কৃষকরা। ন্যায্য মূল্য পেলেও তাঁরা জমি দিতে নারাজ। তাই বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নপূরণের কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছেনা। এখন দেখার ভবিষ্যতে কি হয়।




pt async="" src="//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js">



সমস্যা চলছে সব দিক থেকেই। একদিকে পর্যাপ্ত অর্থের অভাব তো আবার অন্যদিকে জমির অভাব। আর তাতেই টালমাটাল বুলেট ট্রেন। জানা গিয়েছে এই ট্রেন সংক্রান্ত মোট খরচ হবে ১লক্ষ ৬হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে ৮৬হাজার কোটি দেবে জাপান ইন্টার ন্যাশনাল কর্পোরেশন এজেন্সি, ১০হাজার কোটি দেবে ভারতীয় রেল। ও বাকী টাকা গুজরাট ও মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার ভাগাভাগি করে দেবে। কিন্তু বাস্তবে জাপান থেকে এসেছে মাত্র ৫হাজার কোটি টাকা। রেল বা দুই রাজ্য সরকার কোনো অর্থই দেননি। ঠিকাদার সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই কাজ শুরু করতে বিপুল অর্থ লাগবে। যা এখনো পাননি তারা।

চলছে জমি নিয়ে জটিলতাও। পুরো প্রকল্পটির জন্য জমির প্রয়োজন ১১হাজার ৪০০হেক্টর। কিন্তু একবছরে জমি অধিগ্রহন হয়েছে মাত্র 0.৯হেক্টর জমি। এর পিছনে অবশ্য আছেন মহারাষ্ট্রের গ্রামের কৃষকরা। ন্যায্য মূল্য পেলেও তাঁরা জমি দিতে নারাজ। তাই বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নপূরণের কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছেনা। এখন দেখার ভবিষ্যতে কি হয়।