প্রধানমন্ত্রীর ভাসন ঘিরে বিতর্ক রাজনৈতিক মহলে।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ ঘড়ির কাঁটা তখন ১১টা।সকল মানুষ যে যার কাজে ব্যাস্ত।হঠাৎই প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট।ট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, মেরে পেয়ারে দেশবাসীয়োঁ,আজ লগভগ ১১.৪৫ -১২.০০ বজে ম্যাঁয় এক মহত্ত্বপূর্ণ সন্দেশ লে কর আপ কে বিচ আউঙ্গা।এটার বাংলা করলে দাঁড়ায়,তিনি বেলা পৌনে ১২ টা থেকে ১২ তার মধ্যে একটা বড় খবর শোনাতে চলেছেন।এর পরেই দেশ জুড়ে শুরু হয় জল্পনা।ট্যুইট দেখে চমকে গিয়েছিলেন সবাই কারণ যখন টুইটটি করেন প্রধানমন্ত্রী তিনি তখন নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভার বৈঠকে বসেছিলেন,তাতে অনেকের ধারণা হয়,নিরাপত্তা বিষয়ক কোনও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হবে।

প্রায় সব কাজকর্ম বন্ধ করে সবাই নজর রাখেন টিভিতে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায়।নির্ধারিত সময়েরও ২০-২২ মিনিট পরে শুরু হয় মোদীর ভাষণ।তিনি বলেন,দেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ শক্তি অর্জন করেছে।মহাকাশে ‘লো অরবিট’ একটি উপগ্রহকে এদিন রকেট ছুঁড়ে ধ্বংস করেছেন ভারতের বিজ্ঞানীরা।সেই রকেট তৈরি হয়েছে ভারতেই।এর আগে আমেরিকা,রাশিয়া ও চিনের হাতে এই ক্ষমতা ছিল। এবার বিশ্বে ভারত হল চতুর্থ দেশ।মোদী জানান,অ্যান্টি স্যাটেলাইট অপারেশন শেষ করতে লেগেছে মাত্র তিন মিনিট। একটি অকেজো উপগ্রহকে ধ্বংস করে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নিজের ক্ষমতা প্রমাণ করেছে ভারত।এই অপারেশনের নাম ছিল ‘মিশন শক্তি’।তা ছিল অত্যন্ত জটিল একটি অপারেশন।প্রধানমন্ত্রী বলেন,আমি এমন একটা পরিকল্পনা করেছি যাতে দেশ দু’কদম এগিয়ে থাকবে।দেশে যখন নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু হয়েছে, তখন মোদীর এই মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে নানা মহলে।বিভিন্ন মহলের দাবি ওই মন্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভোটের আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন।

বিরোধী দল হিসাবে তৃণমূল ইতিমধ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।এক তৃণমূল নেতা বলেন এতে ভারতের মানুষের কোনও উপকার হবে না।তাছাড়া এতে মোদীর কৃতিত্ব নেই। বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের চেষ্টায় এই ক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।মোদী একটি নন ইস্যুকে ইস্যু করে তোলার চেষ্টায় আছেন।ভারতের মানুষকে তিনি কোনও রিলিফ দিতে পারেননি।মোদী আরো বলেছেন, আমাদের দেশে এর চেয়ে গর্বের মুহূর্ত আগে কখনও আসেনি।পর্যবেক্ষকদের মতে ভোটের আগে এই ইস্যুতেই সরব হবেন অন্যান্য বিরোধী নেতাও।হঠাৎই ভোটের মুখে এই এইরকম ট্যুইট কেই কী প্রচারের হাতিয়ার করতে চলেছেন মোদী উঠছে প্রশ্ন?