স্মার্ট ফোন না পেয়ে ত্রিপুরার যুব দের মধ্যে বিজেপির প্রতি বাড়ছে ক্ষোভ।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জনসভায় ৫৬ ইঞ্চির ছাতি নিয়ে ত্রিপুরা বাসির কাছে মানিক না হিরা চাই প্রশ্ন ছুঁড়েছিলেন। আর এই আহ্বানে ত্রিপুরাবাসি হিরা হিসেবে বিপ্লব কেই বেঁছে নেন। ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তথা ত্রিপুরার বিরোধী দল নেতা মানিক সরকার কিছু দিন আগেই একটি সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছিলেন "টাকা এবং মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ত্রিপুরায় ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি ।"এই অভিযোগ করার পর বিজেপির ক্ষোভের মুখে ও পরতে হয় তাকে।

এই রাজনৈতিক টানা ফরেনের মাঝে ত্রিপুরার বিজেপি সরকার তার পথ চলার ১০০ টি দিন অতিক্রম করলো। গাল ভরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপি, যার মধ্যে কয়েক টি দীর্ঘ মেয়াদী আবার কয়েকটি স্বল্প মেয়াদী। ১০০ দিন পার করার পর দেখে নেওয়া যাক কয়েকটি প্রতিশ্রুতি যেগুল বিজেপি মানুষ কে দিয়েছিল।

১। ঘরে ঘরে রোজগারঃ বিজেপি নেতা এক জনসভায় ঘোষণা করেছিলেন, ফোনে মিসকল দিলেই মিলবে চাকরি। যে আগে মিস কল দেবে সে আগে চাকরি পাবে। কিন্তু আপাতত এ নিয়ে সদুত্তর পাওয়া যায়নি বিজেপি নেতা দের থেকে।

২। যুবক দের জন্য স্মার্ট ফোনঃ ত্রিপুরায় বিপ্লব এলেই প্রত্যেক জুবকের হাতে পৌঁছে যাবে স্মার্ট ফোন, আর এই আশায় নতুন ভোটাররা অনেকেই ভোট দিয়েছিল বিজেপি কে। কিন্তু ভোট যুদ্ধে জয়ের পর এখন স্মার্ট ফোন নিয়ে নিরব বিজেপি।

৩। সবার জন্য পাকা ঘরঃ বিজেপি জিতলেই প্রত্যেক মানুষ পাবেন পাকা ঘর, এমনটাই আশ্বাস ছিল মানুষের। কিন্তু এখন পাকা ঘর নয় প্রসংখ্যান বলছে এই মুহূর্তে ১১১২ টি বিরোধীদের ঘর ভাঙ্গা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এছাড়া বিজেপি দাবি করেছিল বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিসেবা, বিশুদ্ধ পানিয় জল সহ এক গুচ্ছ প্রকল্প। বিজেপি র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ১০০ দিনের মধ্যে এত কিছু করা সম্ভব নয়। বিপ্লব দেব এর মধ্যেই শিক্ষিত যুবক দের সরকারি চাকরির আশা ছেড়ে পান বিক্রির পরামর্শ দিয়েছেন। আর এতেই ফুঁসছে শিক্ষিত যুব সম্প্রদায়। স্মার্ট ফোনের আশায় ভোট দেওয়া তরুণদের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ।