'আবকি বার, NO মোদী সরকার' বলছে সমীক্ষা। নিদ্রাহীন রাত কাটাচ্ছে নেতারা।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ  বর্তমানে দেশের অধিকাংশ রাজ্য সহ কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি নামক রাজনৈতিক দলটি। যাদের দাবী অনুসারে তারা ভারতে ফিরিয়ে এনেছেন রামরাজ্য। সামনে ২০১৯, লোকসভা ভোট। তাতে কী অক্ষুন্ন থাকছে রামরাজ্য? কী বলছে সমীক্ষা?

বিজেপির নিজস্ব আভ্যন্তরীণ রিপোর্টই খুব একটা ভালো খবর শোনাতে পারছে না বিজেপিকে। ২০১৪ সালে যে বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আসনে বসেছিল তারা তা অনেকটাই ধাক্কা খেতে চলেছে বলেই বিশ্বস্তসুত্রে খবর। যা আসন পেয়েছিল বিজেপি তা থেকে অন্তত ১৫২টি আসন কমবে বলে জানিয়েছে সমীক্ষা। বিজেপির ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত রাজ্য রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে বইছে প্রবল প্রতিষ্ঠানবিরোধী হাওয়া। যে রাজস্থান লোকসভা ভোটে বিরোধি শুন্য ছিল, সেখানেই পরপর দুটি উপনির্বাচনে পরাজয় ঘটেছে বিজেপির। তিনটি রাজ্য মিলিয়ে মোট ৬৫টি আসনের মধ্যে ২০১৯ এ ৩০টি আসনও জিততে পারবে কীনা তা নিয়ে সংশয় তৈরী হয়েছে গেরুয়া শিবিরে।

 

পড়ুন ঃ বহিষ্কৃত নেতা থেকে অভিনেতা, "চাদর প্রেমী" ঋতব্রত। ছবির শুটিং হুগলীতে।

 

 

 


ফলে বিজেপি হাইকম্যান্ড এখন মনোনিবেশ করছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানার মত রাজ্যে। যেখানে বিজেপি ক্ষমতায় নেই। ফলে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়াও এখানে জোরদার নয়। এই সব রাজ্যগুলিতে বেশী জনসংযোগ ও দলীয় হেভিওয়েট নেতাদের পাঠিয়ে দলের কাজের অগ্রগতিতে জোর দিচ্ছে বিজেপি হাইকম্যান্ড।ইতিমধ্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আঞ্চলিক দলগুলির সাথে জোট করে উপকৃত হয়েছে তারা। কিন্তু বাকী চারটি রাজ্যে রয়েছে বিজেপি বিরোধী শাষক। যারা একচুল জমিও ছাড়তে রাজি নয়। আবার ২০১৯ এর মহাজোটের সম্ভাবনাও যথেষ্ট চাপে রেখেছে বিজেপিকে। সবমিলিয়ে বিজেপির দিন 'আচ্ছে' যাচ্ছেনা মোটেই।

 

 

 

 

 

পড়ুনঃ মুম্বাইয়ের পর এবার আরো বড় লংমার্চ হতে চলেছে খোদ রাজধানীতে।