কলকাতা বই মেলা নিয়ে কিছু অজানা তথ্য। সহজ ছিল না পথ চলা।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ কলকাতা বই মেলা নিয়ে কিছু অজানা তথ্য।



১৯৭২ সালে নতুন দিল্লিতে আয়োজিত বিশ্ব বইমেলা ছিল কলকাতা বইমেলার আদি অনুপ্রেরণা।




কলকাতা বই মেলা তার পথ চলা শুরু করে ১৯৭৬ সালে।



অংশগ্রহণ করে ৩৪টি প্রকাশনী সংস্থা। স্টলের সংখ্যা ছিল ৫৬।

১৯৭৬ সালে তৎকালীন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী মৃত্যুঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন উদ্বোধক।

প্রবেশমূল্য ধার্য করা হয়েছিল ৫০ পয়সা।



বইমেলা ১৯৮৪ সালে আন্তর্জাতিক বইমেলার স্বীকৃতি অর্জন করে।

১৯৮৮ সালে কলকাতা বইমেলা সরিয়ে নিয়ে আসা হয় পার্ক স্ট্রিট ও আউটট্রাম রোডের সংলগ্ন একটি অব্যবহৃত মাঠে।




ফ্রাঙ্কফুট বইমেলাকে অনুসরণ করে, ১৯৯১ সাল থেকে কলকাতা বইমেলায় শুরু করে বিভিন্ন থিম।

১৯৯১ সালে কলকাতা বই মেলার প্রথম থিম ছিল অসম। এর পরের বছর গুলিতে ওড়িশা, বিহার প্রভৃতি রাজ্যও থিম হিসেবে উঠে আসে।



১৯৯৭ সাল থেকে কলকাতা বইমেলার প্রথম বিদেশের থিম তৈরি হয়। প্রথম বিদেশি থিম ছিল ফ্রান্স।

১৯৯৭ সালে বইমেলার ষষ্ঠ দিনে আগুন লেগে পুড়ে যায় মেলার বেশ কিছুটা অংশ।




তৎকালীন মন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সহায়তায় বইমেলা কে নতুন করে শুরু করেন।

২০০৭ সালে, বই মেলা দূষণ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়।



বই মেলা শুরুর এক দিন আগে কলকাতা হাইকোর্ট রায় দেয়, ময়দানে হবে না মেলা। বাম সরকার তখন তা সরিয়ে সল্টলেক স্টেডিয়ামে আয়োজন করে।




২০০৮ সালে হাইকোর্ট এক নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দেয়, পার্ক সার্কাস ময়দানে বইমেলা করা যাবে না। বিকল্প হিসেবে “বইমেলা ২০০৮” নামে সল্টলেক স্টেডিয়ামে অন্য একটি বইমেলার আয়োজন করে।



সমস্যা মেটাতে, বাম সরকার ২০০৮ সালে তৈরি করেন মিলন মেলা প্রাঙ্গণ। এর পর থেকে স্থায়ী জায়গা পায় কলকাতা বই মেলা।

২০১০ সালে গিল্ডের তরফে ঘোষণা করা হয়, ২০০ টাকার বই কিনলে প্রবেশমূল্য ফেরত দেওয়া হবে।

২০১১ সাল থেকেই, বিনামূল্যে মেলায় প্রবেশ চালু করা হয়।