মুকুল রায়ের শ্যালক বলেই কি ফাঁসান হচ্ছে সৃঞ্জয় কে? উঠছে প্রশ্ন।

বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের প্রভাবেই কি শ্যালক খুলেছিলেন প্রতারণা চক্রের ফাঁদ? সেই চক্রের মূল মাথা কি জামাইবাবু নিজে? পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই প্রশ্নতেই বিপাকে পরতে হয়েছিল রাজ্য বিজেপিকে।

তৃণমূল এক সময়ের দিদি র পরে প্রথম দাদা র নাম ছিল মুকুল রায়। তিনিই ১৯৯৮ সালে নিজের হাতে গড়েন তৃণমূল কংগ্রেস। আর তিনি বর্তমানে বিজেপি নেতা। বিজেপি তে যাবার পর থেকেই শাসক দলের কাছে নানা ভাবে টার্গেট হতে হয়েছে তাকে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঠিক আগেই দিল্লী থেকে গ্রেফতার হন মুকুল রায়ের শ্যালক সৃঞ্জয় রায়।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ২০১২ সালে মুকুল রায় যখন রেলমন্ত্রী তখন তিনি ভারতীয় রেলে চাকরি দেবেন বলে ১১ জনের কাছ থেকে সাড়ে তিন লাখ করে টাকা নিয়েছিলেন। গত ৬ই মে ই এই অভিযোগে গ্রেফতার হন তিনি। এবং তার বিরুদ্ধে ফৌজদারির ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৪৭২, ৩৪ ও ১২০ বি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। গত ১৩ই মে সৃঞ্জয় কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি রবি কিষাণ কাপুরের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলাটি বিচারাধীন।

 


সরকারি আইনজীবীর পক্ষ থেকে আজ সৃঞ্জয় এর জামিনের বিরোধিতা করে প্রভাবশালী তথ্য খাঁড়া করা হয়। এবং বলা হয় এই মুহূর্তে তাঁকে জামিন দিলে তদন্ত প্রভাবিত করতে পারেন। দুই পক্ষের বয়ান শুনে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি রবি কিষাণ কাপুরের ডিভিশন বেঞ্চ সৃজন রায়ের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়।

তবে ২০১২ সালের অভিযোগ এখন করা হল কেন? অভিযোগকারীরা কেন এতদিন অভিযোগ করলেন না? এই প্রশ্ন গুল সৃঞ্জয় বাবুর আইনজীবীর পক্ষ থেকে করা হয়েছে। এবং তাদের বক্তব্য মুকুল রায়ের শ্যালক হবার কারণেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে সৃঞ্জয় রায় কে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।