"আমার বাকি দুই ছেলে কে মেরে ফেললেও, লাল পার্টি থেকে আমি নড়বো না" শহীদেরমায়ের আর্তনাদ।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃ গতকাল সারাভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির নেতৃত্বে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে মহিলারা একত্রিত হন ধর্মতলাতে। আর সেখান থেকে দু দিন ব্যাপি কর্মসূচীর সূচনা হয়। লেনিন মূর্তির পাদদেশে প্রথম দিনের অবস্থানের সূচনা করেন প্রখ্যাত চিত্র পরিচালক তরুণ মজুমদার।

তাদের দাবি, গত ৭ বছর পশ্চিমবাংলায় মহিলারা সর্বক্ষেত্রে আক্রান্ত হয়েছে, যার মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে কর্মক্ষেত্র, রাজনীতির আঙিনা,গৃহস্থ হিংসা সবক্ষেত্রে মহিলারাই আক্রান্ত এই ব্যবস্থার পরিবর্তন চান তারা। প্রথম দিনের এই সভায় বাদসা মৈত্র থেকে শুরু করে মন্দাক্রান্তা সেন অনেক চেনা মুখ কে দেখা যায়।

এই সভায় দেখা মেলে তৈমুর গায়েনের মা কেও। আমডাঙায় বোমার ঘায়ে মৃত্যু হল সিপিএম কর্মী তৈমুর গায়েনের। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট দিতে যাওয়ার পথে তৃণমূলের বাহিনী তার দিকে একে পর এক বোমা ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। তৈমুরের মাথায় বোমার আঘাত লাগে। আর তাতেই মৃত্যু হয় তৈমুরের।

এদিন তৈমুরের মা বলেন, "২০১৬ সালে ভোটের আগে আমার ছোট ছেলে তৃণমূলের জন্য চোখ হারায়, এবারের পঞ্চায়েতে ভোটের দিন সেজ ছেলে (তৈমুর গায়েন) কে ওরা খুন করেছে। আমার আরও দুটো ছেলে রয়েছে, দরকারে বাকি দুই ছেলে কে মেরে ফেললেও, লাল পার্টি থেকে আমি নড়বো না।" তিনি নিজের বুকের কষ্ট সামলে বলেছেন এ-যন্ত্রণা যেন কাউকে না পেতে হয়।

গতকাল রাতে মসাল  নিয়ে প্রতীবাদ জানান মহিলারা। আজ সভার শেষ দিন। এই সভার মাধ্যমে মমতা সরকার কে কতটা বার্তা দেওয়া যায় সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।