Homeরাজ্যমদ বিরোধী আন্দোলন করায় প্রাথমিক স্কুলের এক শিক্ষককে বেধড়ক মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল।

মদ বিরোধী আন্দোলন করায় প্রাথমিক স্কুলের এক শিক্ষককে বেধড়ক মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল।

১০দিক২৪ ব্যুরোঃএকের পর এক বিতর্কে নাম জড়াচ্ছে তৃণমূলের। এবার আলিপুরদুয়ারে মদবিরোধী আন্দোলন করায় প্রাথমিক স্কুলের এক শিক্ষককে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মারধরের পর অচৈতন্য হয়ে পড়া ওই যুবকের কোমরে বন্দুক গুঁজে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। যার জেরে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই সমাজসেবীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আলিপুরদুয়ার জেলাজুড়ে উঠেছে প্রতিবাদের ঝড়। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন আক্রান্ত। এই ঘটনার পিছনে আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি তথা তৃণমূল নেতা মনোরঞ্জন দে-এর হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে।




আলিপুরদুয়ার ১ নম্বর ব্লকের সোনাপুরের বাসিন্দা রূপেন দাস পেশায় প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক হওয়ার পাশাপাশি এলাকায় সমাজসেবী হিসেবেই পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় এলাকায় মদবিরোধী আন্দোলন করছিলেন। এর ফলে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের লাগাতার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলেও অভিযোগ। গতকাল সকাল ১০টা নাগাদ বাড়ি থেকে ডেকে বাইরে বের করে তাঁর উপর চড়াও হয় একদল দুষ্কৃতী। তারপর বন্দুকের বাঁট দিয়ে বেধড়ক মারধর শুরু করে। অচৈতন্য হয়ে পড়েন রূপেন। এরপরই অভিযুক্তরা তাঁর কোমরে বন্দুক গুঁজে দিয়ে পুলিশে খবর দেয় বলে অভিযোগ। পুলিশ এসে প্রতিবাদী ওই স্কুল শিক্ষককে অবৈধ বন্দুক রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে।




আক্রান্ত রূপেন দাসের অভিযোগ, “তৃণমূল নেতা মনোরঞ্জন দে-র পাঁচ ভাইপো এসে আমাকে বাড়ি থেকে ডেকে আক্রমণ করে। বন্দুকের বাঁট দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। এর ফলে আমি অচৈতন্য হয়ে পড়লে কোমরে বন্দুক গুঁজে দেয়।” আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার সুনীল কুমার যাদব জানান, রূপেনকে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এই বিষয়ে উভয়পক্ষ থেকেই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।এদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি মনোরঞ্জন দে।

FOLLOW US ON:
নাম না ক
"কোথায় আ
Rate This Article:
NO COMMENTS

Sorry, the comment form is closed at this time.